দর্শকদের জন্য থাকছে আরও চমক! আলিপুর মিউজিয়ামে এবার তৈরি হচ্ছে হেরিটেজ গ্যালারি
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
১৯০৬ সালে তৈরি হওয়া ২১ ফুট পাঁচিল ঘেরা আদিগঙ্গার পাড়ের লাল রংয়ের বাড়িটি অনেক ইতিহাসের সাক্ষী।
#কলকাতা: আলিপুরের ইন্ডিপেনডেন্স মিউজিয়ামে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদানকে তুলে ধরে একটি পৃথক গ্যালারি তৈরি করা হচ্ছে। দীনেশ গুপ্ত, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের কাহিনিও এবার ওই মিউজিয়ামে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে বলে রাজ্য হেরিটেজ কমিটির চেয়ারম্যান শুভাপ্রসন্ন জানিয়েছেন। মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব ও বাংলায় ব্রিটিশ বিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমন করতে গঠিত কুখ্যাত রাওলাট কমিটির রিপোর্টের একটি কপি এবং বিপ্লবীদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্রশস্ত্রের ভাণ্ডারও এবার দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানান।
১৯০৬ সালে তৈরি হওয়া ২১ ফুট পাঁচিল ঘেরা আদিগঙ্গার পাড়ের লাল রংয়ের বাড়িটি অনেক ইতিহাসের সাক্ষী। সেখানে ব্রিটিশ জমানায় সময় কেটেছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, জওহরলাল নেহরু, বিধানচন্দ্র রায়দের।সুভাষচন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাসদের ব্যবহৃত কুঠুরি ‘হেরিটেজ সাইট’ হিসাবে চিহ্নিত রয়েছে।
advertisement
advertisement
আলিপুর জেলের অন্দরে রয়েছে নেহরু ভবন। রয়েছে দোতলার নেতাজি ভবন। আর ভবনের সঙ্গেই রয়েছে চিত্তরঞ্জন দাস, বিধানচন্দ্র রায়ের ব্যবহৃত কুঠুরি। ওই কুঠুরিগুলির সামনে নেতাজি, দেশবন্ধু, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মূর্তি নামের ফলক-সহ বসেছে। আলিপুর জেলের ফাঁসিকাঠেই গলা দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী অনন্তহরি মিত্র। সেখানে প্রমোদরঞ্জন চৌধুরীরও ফাঁসি হয়। এখানেই ব্রিটিশ সরকার ফাঁসি দেয় দীনেশ গুপ্তকে।স্বাধীনতা সংগ্রামী রামকৃষ্ণ বিশ্বাস, দীনেশ মজুমদারেরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় এখানে। ফাঁসি মঞ্চ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ব্যবহৃত কুঠুরিগুলি হেরিটেজ সাইট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই এই মিউজিয়াম সম্পর্কে জানিয়েছেন। বেশ কয়েক বছর আগেই আলিপুর জেল থেকে বন্দিদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বারুইপুর সংশোধনাগারে।
advertisement
বেশ কয়েক বছর আলিপুর জেল বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজ চললেও বাকি কাজ বন্ধ ছিল।ঐতিহাসিক এই জায়গায় মানুষ যাতে এসে ইতিহাসের ছোঁয়া পান, সে ভাবেই সাজানো হয়েছে। প্রধান ফটকের মাথায় বসানো হয়েছে ইন্ডিপেনডেন্সমিউজিয়ামের বোর্ড। এ ছাড়া পাশের একাংশেও সেই পরিচয় তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
advertisement
তবে এই প্রকল্পে জুড়ে যাবে আরও বেশ কিছু জায়গা৷ তার মধ্যে বিপরীত দিকে থাকা জেলের প্রেসের অংশটিও থাকবে বলে সূত্রের খবর। রাজ্যে একাধিক মিউজিয়াম থাকলেও এই প্রথম কোনও মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে যেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নানান ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে।
ABIR GHOSHAL
Location :
First Published :
Oct 30, 2022 12:36 PM IST










