দৃষ্টিহীনদের ট্রেনিং দিয়ে লক্ষ্য গ্রান্ডমাস্টারের ফিডে রেটিং,দাবার ক্ষিদদা নিলয়

দৃষ্টিহীনদের ট্রেনিং দিয়ে লক্ষ্য গ্রান্ডমাস্টারের ফিডে রেটিং,দাবার ক্ষিদদা নিলয়

অক্ষমতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া। চোখ না থেকেও বোড়ে - গজের ৬৪ খোপে তুফান তুলছেন একদল। লক্ষ্য গ্রান্ডমাস্টারের ফিডে রেটিং।

  • Share this:

#কলকাতা: অক্ষমতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া। চোখ না থেকেও বোড়ে - গজের ৬৪ খোপে তুফান তুলছেন একদল। লক্ষ্য গ্রান্ডমাস্টারের ফিডে রেটিং। একইভাবে নিঃশব্দ জুনিয়র দাবাড়ুরাও তৈরি হচ্ছেন। কারিগর নিলয় চক্রবর্তী।

খেলার পরিভাষায় যাকে বলে কোচ। দাবার ক্ষিদদা নিলয়। আর চার-পাঁচ জনের মানুষের থেকে রাজ, শঙ্কর, যুধাজিৎদের তফাৎ একটাই। এরা প্রত্যেকেই বিশেষভাবে সক্ষম। দৃষ্টিহীন। তবে সম্বল বলতে মনের জোর। আর অদম্য জেদ। তাকেই পাথেয় করে খেলার মাঠে প্রভাব বিস্তার করছেন দৃষ্টিহীনরা। এবার দৃষ্টিহীনরা শতরঞ্জ কি খিলাড়িও বটে।

দৃষ্টিহীনরা দাবা খেলেন বিশেষ ধরনের ব্রেইল বোর্ডে। প্রতিপক্ষ একে অপরকে দেখতে পান না। স্পর্শ করে বুঝতে হয় সব। কি চাল। কোন গুটির কি অবস্থান। সব কিছুই। ৬৪ ঘরের খেলার নিয়ম একই। পার্থক্য বোর্ড আর গুটিতে। একটা ঘর উঁচু আরেকটি নিচু। সাদা-কালো ঘরের তফাৎ করার জন্য। কালো গুটির মাথায় ছোট্ট দানা। বাকিটা স্মৃতিশক্তি। তীক্ষ্ণ মস্তিস্ক।

ফিডের রেটিং আছে প্রত্যেকের। বাংলা থেকে সেই তালিকায় রয়েছেন অনেকেই। দৃষ্টিহীনদের দাবা শেখানোর কাজে বহুদিন ধরে যুক্ত নিলয় চক্রবর্তী। হাতে ধরে খেলোয়াড়দের দাবা শেখান তিনি। শুধু দৃষ্টিহীন নন, মূক ও বধির এমনকি মানসিক অনগ্রসরদের নিয়েও কাজ করছেন যাদবপুরের নিলয় বাবু। রামানুজ. অভিরুপদেরও শিক্ষক থুরি কোচ তিনিই।

দৃষ্টিহীন, মূক-বধিরদের নিয়ে বসে এশিয়াড, বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের আসর। স্বাভাবিক খেলোয়াড়দের সঙ্গেও খেলার সুযোগ থাকে। তবে সহকারীর সাহায্যে। সেই দৃষ্টিহীন দাবাডুদের নিয়ে সম্প্রতি হয়ে গেল সারা বাংলা প্রতিবন্ধী দাবা প্রতিযোগিতা। শুধু দৃষ্টিহীনরাই নন। সেখানে উপস্থিত মূখ ও বধির দাবা়ডুরাও। সীমানা ছাড়িয়ে ওপার বাংলার প্রতিযোগিরাও হাজির টুর্নামেন্টে। জেদ আর কিছু করে দেখানোর ইচ্ছে। লক্ষ্য গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার।

First published: 08:23:56 PM Aug 23, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर