• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CALCUTTA HIGH COURT JUSTICE KAUSHIK CHANDA WRITES SOME POINT BEFORE HE LEAVE NANDIGAM CASE SB

Nandigram Case: 'সব পরিকল্পিত চিত্রনাট্য', নন্দীগ্রাম মামলা ছাড়ার নির্দেশনামায় লিখলেন বিচারপতি!

কী লিখলেন বিচারপতি?

Nandigram Case: বিচারপতি কৌশিক চন্দ নন্দীগ্রাম মামলা ছাড়ার নির্দেশনামায় লিখেছেন, 'সবটাই পরিকল্পিত চিত্রনাট্য।

  • Share this:

#কলকাতা: ১৮ জুন আর ২৪ জুন। দুই দিনের মধ্যে নন্দীগ্রাম বিধানসভার ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করা মামলা নিয়ে ঘটা প্রায় সব ঘটনাই নির্দেশ নামায় উল্লেখ করেছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। বিচারপতির সবথেকে বেশি পর্যবেক্ষণে ছিল সম্ভবত দুই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ট্যুইট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বিচারপতি কৌশিক  চন্দকে মামলা ছাড়ার আবেদনে জানান, জনমানসে ধারণা তৈরি হয়েছে একটা। এই ধারণা বলছে, বিচারপতি কৌশিক চন্দ সুবিচার দিতে পারবেন না। এরপরই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন টুইট ও সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দুটো ট্যুইট সামনে আনেন।

বিচারপতি চন্দ নন্দীগ্রাম মামলা ছাড়ার নির্দেশনামায় লিখেছেন, 'সবটাই পরিকল্পিত চিত্রনাট্য। ১৮ জুন মামলার প্রথম শুনানির পরই দুপুর ১২.২২ নাগাদ টুইট করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান জাতীয় মুখপাত্র। এরপর দুপুর ১.১৬ মিনিট নাগাদ তিনি আরও একটি টুইট করেন। পাশাপাশি অন্য একজন সাংসদ দুপুর ১.১৭ নাগাদ টুইট করেন। টুইটে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে বিজেপি নেতার ছবি। বিজেপির হয়ে মামলা করার কারণেই সেইসময় একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ছবি সামনে আনা হয়েছে ১৮ জুন ২০২১।'

মমতার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি সঙ্গে একটি জায়গায় জনমানসে ধারণা প্রসঙ্গে একমত হয়েছেন বিচারপতি।  তবে বিচারপতি লিখেছেন, একজন বিচারপতি বিচার্য বিষয় বিবেচনার মধ্য দিয়ে বিচার করেন। প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব রাজনৈতিক ঝোঁক বা ভাবনা থাকে। আইনজীবী থাকাকালীন কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে মামলা করতে হয় তাঁদের। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে জানান, " বিচারপতি কৌশিক চন্দ নিজে মামলাটি শুনানি করতে চাননি। প্রধান বিচারপতি মামলাটি তাঁর কাছে পাঠিয়েছেন বিচার করার জন্য। এভাবে বিচারপ্রার্থীরা বিচারপতি বদল চাইলে একটা এনার্কি তৈরি হবে।"

১৮ জুন বিচারপতি কৌশিক চন্দ নিয়ে কোনও নিরপেক্ষতার অভিযোগ নেই আর ২৪ জুন অনাস্থা অভিযোগ। মাঝের সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াও সংবাদমাধ্যমে অনেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা বিচারপতি মামলা ছাড়ার পক্ষে সওয়াল করে গেছেন। নতুন করে বিতর্ক না করতে চেয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই মামলা ছেড়েছেন। সঙ্গে দিয়েছেন ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা নির্দেশ।  জরিমানা নির্দেশের নেপথ্যে রয়েছে বিচারপতির ওপর পরিকল্পিত মানসিক চাপ তৈরি ও বিচার ব্যবস্থাকে অমর্যাদা করা। অন্তত এমনটাই নির্দেশনামায় জানানো হয়েছে।

Published by:Suman Biswas
First published: