Home /News /international /
Al-Quaeda chief killed in air strike: বিমান হানায় খতম আল কায়দা প্রধান জাওয়াহিরি, ৯/১১ হামলার বদলা নিল আমেরিকা

Al-Quaeda chief killed in air strike: বিমান হানায় খতম আল কায়দা প্রধান জাওয়াহিরি, ৯/১১ হামলার বদলা নিল আমেরিকা

ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে আল জাওয়াহিরি (ডান দিকে)৷ Photo- Reuters

ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে আল জাওয়াহিরি (ডান দিকে)৷ Photo- Reuters

প্রায় একুশ বছর আগে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানার পর থেকই জাওয়াহিরিকে খুঁজছিল আমেরিকা৷

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: মার্কিন বিমান হানায় প্রাণ হারালেন আল কায়দার প্রধান এবং ৯/১১ বিমান হানার মূল চক্রী আয়মান আল জাওয়াহিির৷ দেশবাসীর উদ্দেশে টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে এমনই দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন৷ এই খবর দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায় বিচার পেল৷

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ বাইডেন বলেন, 'ন্যায়বিচার হয়েছে৷ এই সন্ত্রাসবাদী নেতা আর বেঁচে নেই৷' পরে ট্যুইটারে বাইডেন লেখেন, 'যাঁরা আমাদের দেশের মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রক্ষা করতে আমেরিকা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ৷ আজকে আমরা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি৷ তার জন্য যত সময় লাগুক না কেন, আমরা তাকে খুঁজে বের করবই৷'

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের মাঝেই আচমকা গুরুতর ‘অসুস্থ’ পুতিন! তড়িঘড়ি প্রেসিডেন্টের বাসভবনে চিকিৎসক

    এই অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত মার্কিন অফিসাররা জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই এই অপারেশন চালানো হয়৷ সেই সময় জাওয়াহিরি নিজের কাবুলের বাড়ির বারান্দায় ছিলেন৷ তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে দু'টি হেলফায়ার মিসাইল আছড়ে পড়ে৷ গত ২৫ জুলাই এই অভিযানে ছাড়পত্র দেন বাইডেন৷

    আধিকারিকরা আরও দাবি করেছেন, সেই সময় জাওয়াহিরির পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়িতে থাকলেও তাঁদের নিশানাও করা হয়নি এবং কোনও ক্ষতিও হয়নি৷ এখনও পর্যন্ত যে ছবিগুলি সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে ওই বাড়িটির জানলা ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে৷ কিন্তু বাড়িটি বাকি অংশ অক্ষত রয়েছে৷

    মার্কিন আধিকারিকরা দাবি করেছেন, ২০২০ সালে দোহায় যে চুক্তি তালিবানদের সঙ্গে যে চুক্তির ভিত্তিতে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করেছিল, তা লঙ্ঘন করেই কাবুলে ছিলেন জাওয়াহিরি৷ ওই চুক্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তানের মাটিকে কোনও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না তালিবানরা৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, কখনওই আল কায়দার সঙ্গে তালিবানদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি৷

    আরও পড়ুন: আমেরিকা আমায় চেনে না, ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠালে নির্মম পরিণতি হবে! হুমকি পুতিনের

    তালিবানদের তরফেও তাদের মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে গত রবিবার কাবুলে এই অভিযানের কথা স্বীকার করেছেন৷ এই হামলার কড়া নিন্দা করে তিনি একে আন্তর্জাতিক নীতির পরিপন্থীর বলে দাবি করেছেন৷

    প্রায় একুশ বছর আগে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানার পর থেকই জাওয়াহিরিকে খুঁজছিল আমেরিকা৷ ২০১১ সালে পাকিস্তানে আমেরিকা ওসামা বিন লাদেনকে খতম করার পর আল কায়দার শীর্ষ পদে বসেন জাওয়াহিরি৷ ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের মাথার দাম রাখা হয়েছিল ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    পরবর্তী খবর