চোখ রাঙাচ্ছে চিন-পাকিস্তান, পাল্টা দিতে প্রস্তুত ভারত, জানালেন সেনাপ্রধান

চোখ রাঙাচ্ছে চিন-পাকিস্তান, পাল্টা দিতে প্রস্তুত ভারত, জানালেন সেনাপ্রধান

চিন-পাকিস্তান এক যোগে শক্তিশালী হয়ে ভয় দেখাচ্ছে ভারতকে৷ কিন্তু আক্রমণ হলে তার পাল্টা দিতেও প্রস্তুত আছে দেশের সেনা৷ একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিপদ ও তার মোকাবিলার কথাই বললেন দেশের সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: চিন-পাকিস্তান এক যোগে শক্তিশালী হয়ে ভয় দেখাচ্ছে ভারতকে৷ কিন্তু আক্রমণ হলে তার পাল্টা দিতেও প্রস্তুত আছে দেশের সেনা৷ একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিপদ ও তার মোকাবিলার কথাই বললেন দেশের সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে৷

    মঙ্গলবার সেনা দিবস উপলক্ষ্যে দিল্লিতে সেনার বার্ষিক সংবাদিক বৈঠক করেন তিনি৷ চিন-পাকিস্তানকে 'পোটেন্ট থ্রেট' হিসেবেই দেখছেন৷ সামরিক এবং অসামরিক ক্ষেত্রে যেভাবে চিন ও পাকিস্তানের সহযোগিতা বাড়ছে সেক্ষেত্রে তিনি ভারতের সঙ্গে এই দুই দেশের সংঘর্ষের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিতে পারছেন না৷

    গত বছর ভারতের উপর আক্রমণের প্রসঙ্গে নারাভানে সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বলছেন, "গত বছর আমরা কথা বলে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি৷ ভারতের ওপর আসা কোনও হুমকির পাল্টা দিতে আমরা প্রস্তুত আছি৷ যে কোনও ঘটনার জন্যই তৈরি আছি৷ উচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি আছে দেশের উত্তর সীমান্তে৷

    জেনারেল নারাভানে আরও জানিয়েছেন যে, তারা আলেচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চাইছেন। পূর্ব লাদাখে ভারত নিজেদের অবস্থান বজায় রাখবে বলেও জানান তিনি। নারাভানে আশা করেন চিনের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারবে ভারত৷

    গত পনেরো থেকে কুড়ি দিনের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি দেশের সেনাপ্রধান এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে দেখা করেছেন নারাভানে। সৌদি আরব থেকে মায়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ভিয়েতনাম সব দেশের সেনাবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করেছেন এবং তথ্য আদান প্রদান করেছেন বলেই খবর।

    নারাভানে যুদ্ধের প্রস্তুতির প্রসঙ্গে প্রযুক্তিগত দিকেই জোর দিয়েছেন৷  শুধু বন্দুকের জোরে বা কামান, ট্যাঙ্ক ব্যবহার করে যুদ্ধ লড়বে না। আধুনিক যুদ্ধ পাল্টে গিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি আনা হচ্ছে বাহিনীতে। ডাটা ট্রানস্ফার থেকে পর্যবেক্ষণ যেমন থাকবে,তেমনই কম্পিউটারের বিশেষ সফট্ওয়ারে মাধ্যমে বিপক্ষ শিবিরের অবস্থান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে পারবে সেনা। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় স্বয়ংক্রিয় রাইফেল লাগানোর ভাবনা চিন্তা রয়েছে৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published: