• Home
  • »
  • News
  • »
  • india-china
  • »
  • লাদাখ সীমান্তে আর নতুন করে বাহিনী নয়, যৌথ বিবৃতিতে দাবি করল ভারত-চিন

লাদাখ সীমান্তে আর নতুন করে বাহিনী নয়, যৌথ বিবৃতিতে দাবি করল ভারত-চিন

সেই কারণেই অত উচ্চতায় মোতায়েন করা সেনা জওয়ানদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রেশন, পোর্টেবল কেরোসিন হিটার, জ্বালানি সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস জরুরি ভিত্তিতে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এর পাশাপাশি বরফে রাস্তা বন্ধ হওয়ার আগেই ট্যাঙ্ক, কামান সহ যাবতীয় সাজ সরঞ্জাম বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে ভারতীয় সেনাকে৷

সেই কারণেই অত উচ্চতায় মোতায়েন করা সেনা জওয়ানদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রেশন, পোর্টেবল কেরোসিন হিটার, জ্বালানি সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস জরুরি ভিত্তিতে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এর পাশাপাশি বরফে রাস্তা বন্ধ হওয়ার আগেই ট্যাঙ্ক, কামান সহ যাবতীয় সাজ সরঞ্জাম বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে ভারতীয় সেনাকে৷

এবারের বৈঠকে সমস্যার সমাধানে দুই দেশের মধ্যেই খোলামেলা এবং সমস্যার গভীরে গিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: আপাতত লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্ররেখায় আর অতিরিক্ত বাহিনী পাঠাবে না ভারত এবং চিন৷ ২১ সেপ্টেম্বর দুই দেশের সেনাবাহিনীর সিনিয়র কম্যান্ডারদের মধ্যে হওয়া ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর মঙ্গলবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এমনই দাবি করা হয়েছে৷ একই সঙ্গে জানানো হয়েছে সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগও বাড়াবে দু' পক্ষ৷ এবারের বৈঠকে সমস্যার সমাধানে দুই দেশের মধ্যেই খোলামেলা এবং সমস্যার গভীরে গিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷ যদিও সেনা পিছিয়ে নেওয়ার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো গিয়েছে কিনা, তার কোনও উল্লেখ বিবৃতিতে নেই৷

    সীমান্তে শান্তি ফিরিয়ে আনতে দুই দেশই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ তার জন্য যত দ্রুত সম্ভব সামরিক দুই দেশের সেনা কম্যান্ডারদের মধ্যে সপ্তম দফার বৈঠক করা হবে৷ সাম্প্রতিক কালে দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে সংঘাত কমানোর জন্য হওয়া চুক্তিকে সম্মান দিয়ে এবং আসন্ন শীতের মরশুমে লাদাখে চরম প্রতিকূল আবহওয়ার কথা মাথায় রেখেই দুই দেশ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে সরকারি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে৷

    সূত্রের খবর, বৈঠকে চিন দাবি করে, চূশূলে কৌশলগত ভাবে সুবিধাজনক পাহাড় চূড়োগুলি থেকে সরে যেতে হবে ভারতীয় বাহিনীকে৷ যদিও ভারতের তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, প্যাংগং লেকের কাছে ফিঙ্গার ফোর থেকে ফিঙ্গার এইট পর্যন্ত এলাকাও ফাঁকা করে দিতে হবে চিনা বাহিনীকে৷ তবে গত তিন সপ্তাহে চূশূল সেক্টরে অন্তত তিন বার গুলি চালানোর ঘটনার পর কোনও অবস্থাতেই যে উত্তেজনা বাড়তে দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে দু' পক্ষই৷

    গত ১০ সেপ্টেম্বর মস্কোতে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে পাঁচটি বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছিল দুই দেশ৷ এবারের বৈঠকে সেই সিদ্ধান্তগুলি কার্যকর করার উপরে জোর দেয় ভারত৷ পাশাপাশি, কতদিনের মধ্যে মস্কোর বৈঠকে নেওয়া পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে চিন, তার নির্দিষ্ট সময়সীমাও দাবি করে ভারত৷ এ দিন বেজিংয়েও চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন দাবি করেছেন, উত্তেজনা প্রশমনে দু' পক্ষই বিস্তারিত ভাবে মত বিনিময় করেছে৷ পাশাপাশি অক্টোবরের শুরু থেকেই লাদাখে শীত পড়তে শুরু করে৷ শীতে লাদাখের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়, অক্সিজেনেরও অভাব দেখা দেয়৷ এই বিষয়টিও এ দিনের বৈঠকে উঠে এসেছে৷

    তবে এখনও যেহেতু প্যাংগং লেকের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্ত সহ লাদাখে অন্যান্য সংঘাতের জায়গাগুলিতে যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে, ফলে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাহিনীকে শীতকালেও লাদাখে মোতায়েন করে রাখার যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারতীয় সেনা৷ এ বারের বৈঠকের পর সত্যিই চিন শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এগোয় কিনা, তা কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: