• Home
  • »
  • News
  • »
  • india-china
  • »
  • গালওয়ানের নায়কদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে প্রজাতন্ত্র দিবসে

গালওয়ানের নায়কদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে প্রজাতন্ত্র দিবসে

photo/the financial express

photo/the financial express

আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবসে গালওয়ান নায়কদের বিশেষ পদক দিয়ে সম্মান জানানো হবে। যদিও এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেনাবাহিনী সরকারিভাবে কিছুই ঘোষণা করেনি, কিন্তু সূত্র বলছে ঐদিন এমন সম্মান জানানোর পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে সরকার।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবসে গালওয়ান নায়কদের বিশেষ পদক দিয়ে সম্মান জানানো হবে। যদিও এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেনাবাহিনী সরকারিভাবে কিছুই ঘোষণা করেনি, কিন্তু সূত্র বলছে ঐদিন এমন সম্মান জানানোর পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে সরকার। ষোলো বিহার রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল সন্তোষ বাবু ছাড়াও একজন অফিসার এবং আরও চারজনকে এই বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে। পনেরোই জুন যখন কর্নেল বাবু এবং তাঁর কিছু সহযোগী দেখতে যান দু'পক্ষের মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গা খালি করেছে কিনা চিনা সেনা, তখন গন্ডগোল শুরু হয়। চিনা সেনারা জায়গা খালি করতে অস্বীকার করলে দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু এবং তারপর হাতাহাতির পর্যায় চলে যায়। সংখ্যার বিচারে ভারতের তুলনায় চিনের সেনা বেশি থাকলেও লড়াই শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর ভারতের পক্ষ থেকে আরও সেনা হাতাহাতিতে যোগ দেন।

    লাঠিতে কাঁটাতার লাগানো মধ্যযুগীয় অস্ত্র ব্যবহার করে চিনা সেনা। উঁচু পাহাড়ে মারামারি চলার সময় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন সেনা তলার গালওয়ান নদীতে পড়ে যান। প্রায় সাত ঘন্টার ওপর ধরে চলা এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কুড়িজন ভারতীয় জওয়ান প্রাণ হারান। চিন সরকারিভাবে তাঁদের সেনাদের মৃত্যুর সংখ্যা না জানাতে চাইলেও বিভিন্ন সূত্র মারফত নিশ্চিত হওয়া যায় প্রায় চল্লিশ জন পিএলএ সেনা এই সংঘর্ষে প্রাণ হারান। তালিকায় ছিল একজন কমান্ডিং অফিসার ও। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিহত চিনা সেনাদের কবরের ছবি ভেসে ওঠে। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং ভারতীয় সেনাদের শ্রদ্ধা জানাতে লাদাখে যান। চিনের বিস্তারবাদ নীতির তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি ভারতীয় সেনারা যে জবাব দিয়েছে সেই জবাব শত্রু দীর্ঘদিন মনে রাখবে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    গোটা দেশ শ্রদ্ধা জানিয়েছিল নিহত ওই সেনাদের। নিজেদের দেশে এই ঘটনার পর চাপে পড়েছিল জিনপিং সরকার। চিনা মিডিয়ার একাংশ জানিয়েছিল ভারত নিজেদের শহিদ দের যেভাবে সম্মান দেয়, পিএলএ তা কেন করতে পারে না? পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়েছে তা নয়। প্রায় আট মাস ধরে দুই দেশের বাহিনী একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। আলোচনার টেবিলে বহুবার বসেও লাভ হয়নি। কিন্তু ওই রাতে প্রাণ দিয়েও পেট্রোলিং পয়েন্ট চোদ্দো রক্ষা করেছিল কর্নেল বাবু এবং তাঁর জওয়ানরা। না হলে ওই জায়গা আজ চিনের কব্জায় চলে যেত। তাই অন্তত পাঁচ জন ভারতীয় সেনা প্রজাতন্ত্র দিবসে মরণোত্তর শ্রদ্ধা পদক পাচ্ছেন সেটা একরকম নিশ্চিত।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: