চায়না স্টাডিজ বক্তৃতায় ভারত-চিন সম্পর্কের উন্নতিতে জোর জয়শঙ্করের

জয়শঙ্করের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির প্রচেষ্টা স্বাগত জানাল চিন photo/odisha post

তেরোতম 'অল ইন্ডিয়া কনফারেন্স অব চায়না স্টাডিজ' এর অনলাইন বক্তৃতায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: প্রবল ঠান্ডায় ভারত-চিন সীমান্তের উত্তাপ কমেনি এতটুকু। নিজেদের দাবিতে অনড় দুই দেশ। পূর্ব লাদাখ থেকে সিকিম পর্যন্ত পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কখন যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বলা যায় না। একাধিকবার সামরিক এবং কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়েও লাভ হয়নি। তাই বলে কী প্রচেষ্টা থেমে থাকতে পারে? অর্থনৈতিকভাবে দুই দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তেরোতম 'অল ইন্ডিয়া কনফারেন্স অব চায়না স্টাডিজ' ( All India conference of China studies) এর অনলাইন বক্তৃতায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ( S Jaishankar)। তিনি জানান প্রতিবেশী রাষ্ট্র চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলায় বিশ্বাসী ভারত। বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও তিনি আশাবাদী প্রায় চার দশক দুই দেশের সীমান্তে সেরকম কোনও উত্তেজনা ঘটেনি।

    একইসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রী মনে করেন পারস্পরিক শ্রদ্ধা (mutual respect), সংবেদনশীলতা এবং স্বার্থের কথা ভেবে ভারত এবং চিন দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা এই পরিস্থিতির সমাধান করবে। প্রতিটি দেশের নিজস্ব স্বার্থ এবং অগ্রাধিকার আছে। উদীয়মান শক্তি (rising power) হিসেবে নিজেদের আকাঙ্ক্ষা আছে। কিন্তু একে অপরকে গায়ের জোরে টেনে সরিয়ে দেওয়া সঠিক পথ নয় জানিয়েছিলেন তিনি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রীর এইবার তারপর উত্তর দিয়েছে বেজিং। ভারতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন জানিয়েছেন যেভাবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে জোর দিয়েছেন চিন তার প্রশংসা করে।

    চিন মনে করে একটা সীমান্ত সমস্যা কখনই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। ভারতের সঙ্গে মতবিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু চিন কখনই ভারতকে নিজেদের শত্রু মনে করে না। এখন দেখার মৌখিকভাবে বন্ধুত্বের বার্তা দিলেও কার্যক্ষেত্রে তার প্রয়োগ ঘটে কিনা। চিনকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে ঠকতে চায় না ভারত।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: