• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • EXPLAINER BEYOND DELTA VARIANT SCIENTISTS ARE WATCHING NEW CORONAVIRUS VARIANTS NOW TC RC

EXPLAINED: একে ডেল্টায় রক্ষা নেই, আরও ভয়াবহ করোনাভাইরাস ভ্যারিয়ান্টের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা!

একে ডেল্টায় রক্ষা নেই, আরও ভয়াবহ করোনাভাইরাস ভ্যারিয়ান্টের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা!

বিজ্ঞানীরা মাঝে মধ্যেই সতর্ক করে দিচ্ছেন বিশ্বগ্রামের সবাইকে- আর কী কী নতুন ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণ রয়েছে! (Coronavirus Variants) ( EXPLAINED)

  • Share this:

#কলকাতা: কিংবদন্তি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ত্রাদামুস (Nostradamus) তো তাঁর ১৫৫৫ সালের বই লে প্রফেতিজে (Les Prophéties) ব্যাপারটা স্রেফ 'গ্রেট ক্যালামিটি' বলে ইঙ্গিত দিয়ে ছেড়ে রেখেছেন! আদতে করোনাভাইরাস (Coronavirus) কী এবং কতটা বিধ্বসী, সে কথা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে দুনিয়া, এই ব্যাপারে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোও যে তাদের উন্নত প্রযুক্তি আর চিকিৎসাগত অবকাঠামো নিয়ে বিশেষ সুবিধা করতে পারছে, তা কিন্তু নয়, অতএব, তৃতীয় বিশ্বের কথা ভেবে আকুল হওয়া আর অথৈ জলে ঝাঁপ দেওয়া দুই এক ব্যাপার- কোনও ক্ষেত্রেই হাতের কাছে সমাধানসূত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না।

কেন না, যত দিন যাচ্ছে, নিজেকে একটু একটু করে বদলে ফেলছে কোভিড ১৯ (Covid 19) ভাইরাস। মানুষের শরীর যেমন যেমন চিকিৎসাব্যবস্থার সুবাদে অ্যান্টিবডি তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তেমনই ভাইরাসও নিজেকে করে তুলছে আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। শুধু এখানেই শেষ হচ্ছে না ব্যাপারটা, সেই সঙ্গে চলছে ভাইরাসের নতুন নতুন মিউট্যান্ট এবং তাদেরও ভ্যারিয়ান্ট তৈরি করা। ফলে, যুদ্ধ দিন দিন কেবল কঠিন-ই হয়ে উঠছে! চলছে মোকাবিলার জুতসই অস্ত্রের খোঁজ, সেই সঙ্গে বিজ্ঞানীরা মাঝে মধ্যেই সতর্ক করে দিচ্ছেন বিশ্বগ্রামের সবাইকে- আর কী কী নতুন ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণ রয়েছে। সেই নতুন সব ভয়াবহ ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে আলোচনার আগে সবার প্রথমে তার কথা বলতে হয়, যে এখনও দুশ্চিন্তার প্রধান কারণ হিসাবে বিরাজ করছে সারা বিশ্বেই জলে-স্থলে-নভোতলে।

. .

ডেল্টা (Delta): যাকে নিয়ে চিন্তা সব চেয়ে বেশি

চিন্তা বেশি বলেই ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (World Health Organization), সংক্ষেপে WHO একে তকমা দিয়েছে ভ্যারিয়ান্ট অফ কনসার্নের (Variant of Concern)! অর্থাৎ দেশে খোঁজ মেলা এই কোভিড ১৯ ভাইরাসের মতো বিধ্বংসী এখনও পর্যন্ত আর কোনও করোনাভাইরাস নয়। ডেল্টা এতটাই মারাত্মক যে কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন (Covid 19 Vaccine) যাঁরা নিয়েছেন, তাঁদেরও সংক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে এর দৌরাত্ম্যে; আর যাঁরা এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন নিয়ে উঠতে পারেননি, বলাই বাহুল্য, কেবল ভাগ্য তাঁদের সহায়!

ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন কেন ডেল্টা এত ভয়াবহ, সেই কারণটাও স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করতে ছাড়েনি। জানিয়েছে যে এর সামনে যেহেতু ভ্যাকসিনের সব কার্যকারিতা বিফল হয়ে যাচ্ছে, সেই জন্যই একে ভ্যারিয়ান্ট অফ কনসার্নের তকমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোভিড ১৯-এর অন্য ভ্যারিয়ান্টের তুলনায় ডেল্টায় সংক্রমণের হারও এক দিকে যেমন অনেক বেশি, তেমনই অন্য দিকে তা দ্রুত প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

আরও পড়ুন: ৯৩% কার্যকর কোভিশিল্ডের দু’টি ডোজ, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গবেষণায় উঠে এল স্বস্তির খবর!

এই এক কথা বলছেন সান দিয়েগোর লা জোলা ইনস্টিটিউট অফ ইমিউনোলজির (La Jolla Institute for Immunology) ভাইরোলজিস্ট শেন ক্রোতি (Shane Crotty)। তিনি এই সূত্রে চৈনিক বিজ্ঞানীদের গবেষণার এক রোমহর্ষক তথ্য পেশ করেছেন। চৈনিক বিজ্ঞানীরা সমীক্ষা চালিয়ে জানতে পেরেছেন যে ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত জনৈক রোগী তার নাকের মধ্যে কোভিড ১৯-এর অন্য ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হওয়ার তুলনায় ১,২৬০ গুণ বেশি ভাইরাস বহন করে! ইউনাইটেড স্টেটসের গবেষকরা আবার তুলে ধরেছেন আরেক আতঙ্কজনক তথ্য- যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং যাঁরা ভ্যাকসিন নেননি, ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হলে উভয়ের শরীরেই একই সংখ্যক ভাইরাল লোড বা ভাইরাসের উপস্থিতির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেই সঙ্গে তাঁরা এটাও বলতে দ্বিধা করেননি যে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাল লোডের পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণা চলছে, এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো সময় আসেনি।

. .

তাছাড়া, সংক্রমণের মেয়াদের দিক থেকে হিসাব করে দেখলেও ডেল্টা ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ আছে পর্যাপ্তের চেয়েও বেশি। জানা গিয়েছে যে কোভিড ১৯-এর অন্য ভ্যারিয়ান্টের ক্ষেত্রে উপসর্গ ধরা পড়তে দিন সাতেক মতো সময় লাগে, কিন্তু ডেল্টা দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই স্পষ্ট উপসর্গ প্রকাশ করে রোগীর অবস্থা খারাপ করে তুলছে।

যদিও শুধু ডেল্টাতেই ব্যাপারটা থেমে থাকছে না! দেশে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ (Coronavirus Third Wave) আছড়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে যখন তোলপাড় চলছে, তারই মাঝে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে ডেল্টা প্লাস (Delta Plus Variant)। করোনাভাইরাসের একটি নতুন স্ট্রেন এই ডেল্টা প্লাস (Delta Plus Variant)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক মনে করছে, এই নতুন স্ট্রেন যথেষ্ট ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে চলেছে। নতুন স্ট্রেনে আক্রান্তও হচ্ছেন অনেকে। গোটা দেশে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৪৮। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র, কেরল ও মধ্যপ্রদেশ-সহ ১১টি রাজ্যে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার ডেল্টা প্লাস (Delta Plus) প্রজাতিকেও ভ্যারিয়ান্ট অফ কনসার্নের আখ্যা দিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনকে অনুসরণ করে।

ল্যাম্বডা (Lambda): পায়ে পায়ে এগিয়ে আসছে যে ভ্যারিয়ান্ট

ব্যাপারটা, যা দেখা যাচ্ছে, মানুষের সভ্যতাকে গ্রাস করার মতো আচ্ছন্ন করে ফেলছে গ্রিক বর্ণমালাকেও! তাই ডেল্টার পরে নাম উঠেছে ল্যাম্বডার, সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) নিয়ে ডেটাবেস রক্ষা করে যে গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (Global Initiative on Sharing All Influenza Data), সংক্ষেপে GISAID নামের সংগঠন, তারা এর উল্লেখ করেছে।

জানা গিয়েছে যে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কোভিড ১৯ ভাইরাসের এই ভ্যারিয়ান্ট প্রথম খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল পেরুতে। মাঝে কিছু দিন সে তেমন উল্লেখযোগ্য ভাবে মাথা তোলেনি, তবে চলতি বছরের জুলাই মাসে এসে আচমকাই বিধ্বংসী আকার ধারণ করে ফেলে! যাই হোক, ল্যাম্বডার সংক্রমণ নিয়ে অবস্থা এখন সামান্য হলেও ভালোর দিকে, গত চার সপ্তাহ ধরে এই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন ওঠে যে কোভিড ১৯ ভাইরাসের এই ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে ঠিক কী চিন্তা-ভাবনা করছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন, কী ভাবে তারা দেখছে ব্যাপারটাকে? সংস্থা একে ভ্যারিয়ান্ট অফ ইন্টারেস্ট (Variant of Interest) বলে আপাতত কেবল দাগিয়ে রেখেছে। অর্থাৎ, ল্যাম্বডার উপরে আপাতত কড়া নজরদারি চলছে। চরিত্রের দিক থেকে বলতে গেলে এর ডেল্টার মতোই সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, ভ্যাকসিন যাঁদের নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁদেরও ডেল্টার মতোই কাবু করতে সক্ষম ল্যাম্বডা!

মিউ (MU): ভাবিয়ে তুলেছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনকে

গ্রিক বর্ণমালায় যেমন ল্যাম্বডার ঠিক পরেই আসে মিউ, কোভিড ১৯ ভাইরাসের ভ্যারিয়ান্টের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঠিক তা-ই হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এসে বলে রাখা ভালো যে এত দিন পর্যন্ত করোনার এই ভ্যারিয়ান্টের পরিচিতি ছিল B.1.621 নামে। জানা গিয়েছে যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কলম্বিয়ায় এর অস্তিত্বের খবর ধরা পড়েছিল। এর পর মাস যত এগোতে থাকল, মিউয়ের দাপট দেখে নড়ে-চড়ে বসতে থাকলেন ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের বিজ্ঞানীরা। শেষ পর্যন্ত একেবারে সম্প্রতিই বলা যায়, তারিখের নিরিখে ৩০ অগাস্ট তাঁরা মিউকেও ল্যাম্বডার মতো ভ্যারিয়ান্ট অফ ইন্টারেস্ট বলে বিশ্বদরবারে তুলে ধরলেন, সেই সঙ্গে গ্রিক বর্ণমালার একটি বরাদ্দ করে দেওয়া হল তার জন্য।

আরও পড়ুন: করোনা সেরে গেলে শরীর দেখা দিচ্ছে টিবি ! রক্ষা পেতে জানুন কি করতে হবে

ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের যে বুলেটিন গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে, তার মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে E484K, N501Y এবং D614G-এর মতো মিউটেশনের সঙ্গে মিউ দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইয়োরোপে বেশ ভালো মতো দৌরাত্ম্য চালিয়েছে। যদি জেনেরিক সিক্যুয়েন্সের দিক থেকে বিচার করতে হয়, তাহলে বলতে হয় যে সারা বিশ্বের নিরিখে মিউয়ের দাপট কমেছে ০.১ শতাংশ। কিন্তু কলম্বিয়ায় ৩৯ শতাংশ এবং ইকুয়েডরে ১৩ শতাংশ ভ্যারিয়ান্ট সিক্যুয়েন্সের দিক থেকে বিচার করে একে অবহেলা করা যাচ্ছে না; সাফ জানিয়ে দিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন- মিউয়ের দাপট ক্রমশ বাড়ছে! যদিও হোয়াইট হাউজের (White House) চিফ মেডিক্যাল অ্যাডভাইজর ড. অ্যান্থনি ফাউচির (Dr. Anthony Fauci) দাবি- মিউ নিয়ে এখনও সবিশেষ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠার মতো সময় আসেনি!

বর্ণমালা এখনও বাকি, নতুন আরও ভ্যারিয়ান্ট দিতে পারে মাথাচাড়া:

পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তার নিরিখে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে নতুন নতুন কোভিড ১৯ ভাইরাসের ভ্যারিয়ান্টের জন্ম নেওয়া এবং তাদের নামকরণের সূত্রে গ্রিক বর্ণমালার ঘর ভরে যেতে আর হয় তো খুব একটা বেশি সময় লাগবে না! নেপথ্যের কারণ হিসাবে যতটা না ভাইরাসের দৌরাত্ম্যের দিকে তর্জনী নির্দেশ করছেন বিজ্ঞানীরা, তার চেয়েও বেশি করে তাঁরা আক্ষেপ করছেন বিশ্বের ঠাসা জনসংখ্যা এবং গরিব দেশগুলোর পরিকাঠামো নিয়ে। অর্থাৎ, জনসংখ্যার কারণেই কোভিড ১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব হবে না। তার উপরে আগে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, সংক্রমণের ক্ষেত্রে কোভিড ১৯-এর বেশ কিছু ভাইরাস ভ্যাকসিন নেওয়া আর না-নেওয়ার মধ্যে তফাত করছে না, সমান হারে রোগগ্রস্ত করে তুলছে দুই দলকেই!

. .

এই প্রসঙ্গে মায়ো ক্লিনিকের (Mayo Clinic) ভ্যাকসিন ডেভেলপার ড. গ্রেগরি পোল্যান্ডের (Dr Gregory Poland) মতামত একটু তুলে ধরতেই হয়। ড. পোল্যান্ড বলছেন যে সব ক্ষেত্রে উপসর্গ মারাত্মক নয়, কিন্তু রোগীর শরীরে ভাইরাস থেকেই যাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ রূপে নির্মূল করতে পারে, এমন কোনও বন্দোবস্ত এখনও পর্যন্ত আবিষ্কার করে ওঠা সম্ভব হয়নি। আর এই স্থায়ী ভাইরাল লোডের জন্যই সংক্রমণের হাত এড়িয়ে কোনও দেশই মাথা তুলতে পারছে না। তাই ড. পোল্যান্ড দাবি করেছেন যে এমন একটা সার্বজনীন ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা দরকার যা একই সঙ্গে সব ভ্যারিয়ান্টের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হবে।

সত্যি বলতে কী, এই মর্মে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিন্তু থেমে নেই! জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি সেন্ট লুইয়ের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের (Washington University School of Medicine) গবেষকরা এমন একটি অ্যান্টিবডির আবিষ্কার করেছেন যার প্রয়োগ খুব কম মাত্রাতেই আশার আলো দেখাচ্ছে। এমনকী করোনার আলফা, বিটা, গামা, ডেল্টা, কাপ্পা এবং আইওটা ভ্যারিয়ান্টের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে এটি বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও নামবিহীন আরও কয়েকটি ভ্যারিয়ান্টের ওপরেও সফলতা পেয়েছেন গবেষকরা। এর মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যান্টিবডি SARS2-38-এর কথা বলেছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি SARS2-38 অ্যান্টিবডিটির করোনার সব ভ্যারিয়ান্টকে দমন করার শক্তি আছে!

আরও পড়ুন: সিদ্ধার্থের মৃত্যু একটা বড় শিক্ষা! ঠিক কী কারণে কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে ভারতীয়দের মধ্যে

Published by:Raima Chakraborty
First published: