• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • জনতা পিছু শোধ করতে হবে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা, এমন ভয়ানক দেনায় কী ভাবে জড়াল পাকিস্তান ?

জনতা পিছু শোধ করতে হবে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা, এমন ভয়ানক দেনায় কী ভাবে জড়াল পাকিস্তান ?

জনতা পিছু শোধ করতে হবে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা, এমন ভয়ানক দেনায় কী ভাবে জড়াল পাকিস্তান?

জনতা পিছু শোধ করতে হবে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা, এমন ভয়ানক দেনায় কী ভাবে জড়াল পাকিস্তান?

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শাসনে পাকিস্তান জর্জরিত হয়ে উঠেছে দেনায়। বলা হচ্ছে যে জনতা পিছু ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা শোধ দিতে হবে সরকারকে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পাকিস্তানকে ১ বিলিয়ন ডলার দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে

  • Share this:

#করাচি: পাকিস্তানের অর্থনীতি বরাবরই দুর্বল। বিশ্বের গরিব দেশগুলোর তালিকায় পয়লা সারিতে রয়েছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু এখন যেন অবস্থাটা আরও করুণ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শাসনে পাকিস্তান জর্জরিত হয়ে উঠেছে দেনায়। বলা হচ্ছে যে জনতা পিছু ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা শোধ দিতে হবে সরকারকে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পাকিস্তানকে ১ বিলিয়ন ডলার দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে। যখন চিন এই দেশে পাশে দাঁড়িয়েছিল, সেই সময়ে সৌদি আরবও তার ধারশোধের জন্য তাগাদা দিয়েছিল। কিন্তু ধার শোধ করা সম্ভব হয়নি।

ঠিক কী পরিমাণ দেনা শোধ দিতে হবে পাকিস্তানকে?

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের দেনার পরিমাণ ছিল ৪০.৯৪ ট্রিলিয়ন টাকা। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থমন্ত্রক সম্প্রতি যা পরিসংখ্যান পেশ করেছে তার ভিত্তিতে জানা গিয়েছে যে বর্তমানে এর পরিমাণ ৪৫ ট্রিলিয়ন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে যদি পাকিস্তানের ২১.৬৬ কোটি জনতার মধ্যে সমান ভাবে এটি ভাগ করা হয়, তবে জনতা পিছু দেনার পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

ইমরান সরকারের সময়ে দেনা কতটা বেড়েছে?

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকার এই দেনার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলেছে ৮.৪৬ শতাংশ, সম্প্রতি এমন পরিসংখ্যান পেশ করেছে ওই দেশের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রক সরাসরি সরকারের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নিয়েছে। জানিয়েছে যে ২০০৫ সালে পাশ হওয়া এফআরডিএল আইন অনুসারে প্রতি বছরে সরকারের দেনার পরিমাণ জাতীয় অর্থনীতির ৪ শতাংশের বেশি হওয়া কাম্য নয়। কিন্তু ইমরান খানের সরকার সেই নিয়ম মানতে তো পারেনি বটেই, উপরন্তু দেনা বাড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি পাকিস্তানের মোট দেনা ছিল ২৪.৯ ট্রিলিয়ন টাকা। জনতা পিছু হিসেব ধরলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। গত দুই বছরের মধ্যে দেনার পরিমাণ যে আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়ে গিয়েছে, তা অস্বস্তিতে ফেলেছে পাকিস্তানকে।

দেনা শোধের জন্য কী করছে সরকার?

দুর্ভাগ্যবশত, পাকিস্তান সরকার এখনও দেনা শোধ করার জন্য কোনও সদর্থক পদক্ষেপ করতে পারেনি। জনতাকেও সঠিক তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। ফলে, জনতার তরফেও একটা ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। আবার, এক দেশের দেনা শোধ করার জন্য আরেক দেশের কাছে হাত পেতেই চলেছে পাকিস্তান সরকার, ফলে দেনা আর শোধ হওয়ার পরিস্থিতি দেশে তৈরি হচ্ছে না।

দেনা শোধ করতে না পারলে কী হবে?

এর আগে নিজের সোনার খনিগুলো নিয়ে বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু পরে সেই চুক্তি বাতিল করে দেওয়া হয়। এই নিয়ে বিদেশি খনি সংস্থাগুলো মামলা করায় পাকিস্তান আদালতে হেরে যায়। সেই অনুসারে পাকিস্তান এখন ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য। দিতে না পারলে সবার আগে তার বিলাসবহুল হোটেগুলো নিলামে তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও পাকিস্তান সেই নিলাম ঠেকাতে পারবে কি না, এই নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কেন না, এই ক্ষতিপূরণের অঙ্কটাও নেহাত কম নয়, তা দেশের জিডিপি-র ২ শতাংশ। ফলে এই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ করতে চলেছে পাকিস্তান, সেই দিকেই নজর রয়েছে বিশ্বের!

Published by:Rukmini Mazumder
First published: