advertisement

India's Chance Of Semi Final: বিপজ্জনক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ৫টি চ্যালেঞ্জ, সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভাঙতে লাগবে না কোনও সময়

Last Updated:
T20 World Cup 2026:টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ভারত ২৫৬ রান করে ৭২ রানে জয়লাভ করে। সুপার ৮ রাউন্ডে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ আগামী রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
1/7
জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ভারত দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। প্রথমে ব্যাট করে ভারত মাত্র চার উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ২৫৬ রান করে। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোরও। অন্য কথায়, ভারত কখনও কোনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে এত রান করতে পারেনি। জিম্বাবোয়ে তখন ব্যাট করে। জবাবে, জিম্বাবোয়ে ২০ ওভারে ১৮৪ রানে অলআউট হয়ে যায়, ফলে ভারত ৭২ রানে ম্যাচটি জিতে নেয়।
জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ভারত দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। প্রথমে ব্যাট করে ভারত মাত্র চার উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ২৫৬ রান করে। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোরও। অন্য কথায়, ভারত কখনও কোনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে এত রান করতে পারেনি। জিম্বাবোয়ে তখন ব্যাট করে। জবাবে, জিম্বাবোয়ে ২০ ওভারে ১৮৪ রানে অলআউট হয়ে যায়, ফলে ভারত ৭২ রানে ম্যাচটি জিতে নেয়।
advertisement
2/7
অভিষেক শর্মা এবং তিলক ভার্মা দুজনেই এই ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। অভিষেক শর্মা ৩০ বলে ৫৫ রান করেছেন, আর তিলক ভার্মা ১৬ বলে ৪৪ রান করেছেন অপরাজিত। বিশ্বকাপে দুই ব্যাটসম্যানই খারাপ পারফর্ম করেছেন, যার ফলে কেউ কেউ অনুমান করেছেন যে তারা ফর্মের বাইরে। তবে, এই ম্যাচে তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
অভিষেক শর্মা এবং তিলক ভার্মা দুজনেই এই ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। অভিষেক শর্মা ৩০ বলে ৫৫ রান করেছেন, আর তিলক ভার্মা ১৬ বলে ৪৪ রান করেছেন অপরাজিত। বিশ্বকাপে দুই ব্যাটসম্যানই খারাপ পারফর্ম করেছেন, যার ফলে কেউ কেউ অনুমান করেছেন যে তারা ফর্মের বাইরে। তবে, এই ম্যাচে তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
advertisement
3/7
প্রথমত, যদিও ভারত জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিল, তবুও সবকিছু ইতিবাচক ছিল না। ভারত ২৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ করেছিল, কিন্তু জিম্বাবোয়েও সাহস দেখিয়েছিল। প্রথমে ব্যাট করে তারা ২০ ওভারে ১৮৪ রান করেছিল। এই ম্যাচে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং পারফরম্যান্স ভারতের বোলিং নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, কারণ টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বোলাররা প্রচুর রান দিয়েছেন। ব্যাটিং ভালো হলেও, বোলিংয়ে আরও উন্নতি প্রয়োজন। পরের ম্যাচে যদি বোলাররা ভাল পারফর্ম করে, তাহলে ভারতের সেমিফাইনালের পথ সহজ হয়ে যাবে।পরের ম্যাচে যদি বোলাররা ভাল পারফর্ম করে, তাহলে ভারতের সেমিফাইনালের পথ সহজ হয়ে যাবে।
প্রথমত, যদিও ভারত জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিল, তবুও সবকিছু ইতিবাচক ছিল না। ভারত ২৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ করেছিল, কিন্তু জিম্বাবোয়েও সাহস দেখিয়েছিল। প্রথমে ব্যাট করে তারা ২০ ওভারে ১৮৪ রান করেছিল। এই ম্যাচে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং পারফরম্যান্স ভারতের বোলিং নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, কারণ টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বোলাররা প্রচুর রান দিয়েছেন। ব্যাটিং ভালো হলেও, বোলিংয়ে আরও উন্নতি প্রয়োজন। পরের ম্যাচে যদি বোলাররা ভাল পারফর্ম করে, তাহলে ভারতের সেমিফাইনালের পথ সহজ হয়ে যাবে।পরের ম্যাচে যদি বোলাররা ভাল পারফর্ম করে, তাহলে ভারতের সেমিফাইনালের পথ সহজ হয়ে যাবে।
advertisement
4/7
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে শিবম দুবে ২ ওভারে ৩২ রান দিয়েছিলেন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেও তার বোলিং ব্যয়বহুল প্রমাণিত হয়েছিল, যেখানে তিনি দুই ওভারে ৪৬ রান দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে বরুণ চক্রবর্তীও গত দুটি ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। তার পারফরম্যান্স হতাশাজনক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চার ওভারে তিনি ৪৭ রান দিয়েছিলেন। জিম্ববোয়ের বিপক্ষে, তারা চার ওভারে ৩৫ রান দিয়েছিল। এই দুই বোলারের এত রান দেওয়া দলের জন্য উদ্বেগের কারণ। আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তাদের ভাল পারফর্ম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে শিবম দুবে ২ ওভারে ৩২ রান দিয়েছিলেন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেও তার বোলিং ব্যয়বহুল প্রমাণিত হয়েছিল, যেখানে তিনি দুই ওভারে ৪৬ রান দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে বরুণ চক্রবর্তীও গত দুটি ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। তার পারফরম্যান্স হতাশাজনক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চার ওভারে তিনি ৪৭ রান দিয়েছিলেন। জিম্ববোয়ের বিপক্ষে, তারা চার ওভারে ৩৫ রান দিয়েছিল। এই দুই বোলারের এত রান দেওয়া দলের জন্য উদ্বেগের কারণ। আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তাদের ভাল পারফর্ম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
5/7
তৃতীয়ত, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছিল। এর থেকে বোঝা যায় যে দলটি যথেষ্ট চাপের মধ্যে ছিল। তবে, তারা নিরলসভাবে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১৭৬ রান করে। এটি তাদের লড়াইয়ের মনোভাব প্রদর্শন করে। এটি ভারতীয় দলের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এমন একটি দল যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। তাই, ভারতের বোলিংকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী। বিশ্লেষকরা বলছেন যে ভারত যদি জিততে চায়, তাহলে তাদের বোলিংয়ে আরও শৃঙ্খলা এবং নিয়ন্ত্রণ দেখাতে হবে।
তৃতীয়ত, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছিল। এর থেকে বোঝা যায় যে দলটি যথেষ্ট চাপের মধ্যে ছিল। তবে, তারা নিরলসভাবে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১৭৬ রান করে। এটি তাদের লড়াইয়ের মনোভাব প্রদর্শন করে। এটি ভারতীয় দলের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এমন একটি দল যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। তাই, ভারতের বোলিংকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী। বিশ্লেষকরা বলছেন যে ভারত যদি জিততে চায়, তাহলে তাদের বোলিংয়ে আরও শৃঙ্খলা এবং নিয়ন্ত্রণ দেখাতে হবে।
advertisement
6/7
চতুর্থত, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ভারত ব্যাট হাতে ভালো পারফর্ম করেছে, কিন্তু ফিল্ডিংয়ে কিছু ভুল করেছে। রিঙ্কু সিং বরুণ চক্রবর্তীর বলে একটি সহজ ক্যাচ ফেলেছে। ক্রিকেটে, এই ধরনের ক্যাচ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে, শিবম দুবের বোলিং কেবল খারাপ ছিল না, তার ফিল্ডিংও খারাপ ছিল। ভারত জিতলেও, ফিল্ডিংয়ে আরও সতর্কতা এবং তৎপরতা প্রয়োজন। বড় ম্যাচে, এই ধরনের ছোট ভুলগুলি ব্যয়বহুল প্রমাণিত হতে পারে।
চতুর্থত, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ভারত ব্যাট হাতে ভালো পারফর্ম করেছে, কিন্তু ফিল্ডিংয়ে কিছু ভুল করেছে। রিঙ্কু সিং বরুণ চক্রবর্তীর বলে একটি সহজ ক্যাচ ফেলেছে। ক্রিকেটে, এই ধরনের ক্যাচ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে, শিবম দুবের বোলিং কেবল খারাপ ছিল না, তার ফিল্ডিংও খারাপ ছিল। ভারত জিতলেও, ফিল্ডিংয়ে আরও সতর্কতা এবং তৎপরতা প্রয়োজন। বড় ম্যাচে, এই ধরনের ছোট ভুলগুলি ব্যয়বহুল প্রমাণিত হতে পারে।
advertisement
7/7
পঞ্চম এবং শেষ, এটি লক্ষণীয় যে এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কিছু দল প্রাথমিক স্পিন কৌশল গ্রহণ করছে। পাওয়ারপ্লেতে সাধারণত ফাস্ট বোলারদের ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখন কিছু অধিনায়ক নতুন বলে অফ-স্পিনারদের এক ওভার দিচ্ছেন। এই কৌশলটি প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষাণকে চাপে ফেলছে। স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ফুটওয়ার্ক, শট নির্বাচন এবং টাইমিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটসম্যানরা তাদের ছন্দে স্থির হওয়ার আগেই তাদের অস্থির করার জন্য এই কৌশলটি গ্রহণ করা হয়। ভারতীয় খেলোয়াড়দের এই কৌশলগত পদক্ষেপটি বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী তাদের খেলা পরিকল্পনাটি খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
পঞ্চম এবং শেষ, এটি লক্ষণীয় যে এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কিছু দল প্রাথমিক স্পিন কৌশল গ্রহণ করছে। পাওয়ারপ্লেতে সাধারণত ফাস্ট বোলারদের ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখন কিছু অধিনায়ক নতুন বলে অফ-স্পিনারদের এক ওভার দিচ্ছেন। এই কৌশলটি প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষাণকে চাপে ফেলছে। স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ফুটওয়ার্ক, শট নির্বাচন এবং টাইমিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটসম্যানরা তাদের ছন্দে স্থির হওয়ার আগেই তাদের অস্থির করার জন্য এই কৌশলটি গ্রহণ করা হয়। ভারতীয় খেলোয়াড়দের এই কৌশলগত পদক্ষেপটি বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী তাদের খেলা পরিকল্পনাটি খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
advertisement
advertisement
advertisement