• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • কোয়াডের পথে ভারত, আচমকাই কেন সুর নরম চিনের ?

কোয়াডের পথে ভারত, আচমকাই কেন সুর নরম চিনের ?

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার অংশগ্রহণ শীর্ষক এই বৈঠকে নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার অংশগ্রহণ শীর্ষক এই বৈঠকে নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার অংশগ্রহণ শীর্ষক এই বৈঠকে নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে

  • Share this:

#বেজিং: বিশ্বের প্রথম কোয়াড্রল্যাটেরাল গ্রুপিং (Quadrilateral Grouping) বা কোয়াডের বৈঠকের আগে আচমকাই সুর বদল করল চিন। পরোক্ষে ভারতের দিকে বন্ধুত্ব এবং শান্তির বার্তা ভাসিয়ে দিল বেজিং। কার্যত ডিগবাজি খেয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবেই সীমান্ত সমস্যা সমাধানের দিকে ঝোঁক দেখাল শি জিনপিং (Xi Jinping)-এর দেশ। তাতে অবাকই হয়েছেন বিশ্বের তাবড় কূটনীতিকরা। আবার কারও মতে ভারতের প্রতি চিনের এই মনোভাব কুমিরের অশ্রুরই সমান।

আগামী ১২ মার্চ কোয়াড্রল্যাটেরাল গ্রুপিং বা কোয়াডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার অংশগ্রহণ শীর্ষক এই বৈঠকে নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ছাড়াও কোয়াডে অংশ নিতে চলেছেন আমেরিকার রাষ্ট্রনেতা জো বাইডেন (Joe Biden), জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিডে সুগা (Yoshihide Suga) ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন (Scott Morrison)। আর সেখান থেকে যে চিনবিরোধী হাওয়ার সঞ্চালন ঘটতে পারে, তা আঁচ করেই ভারতের সঙ্গে বেজিংয়ের বন্ধুসুলভ আচরণ বলে মনে করেন কূটনীতিকরা।

চিনা সংসদের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (National People's Congress) পর বার্ষিক সাংবাদিক বৈঠকে প্রতিবেশী দেশের স্টেট কাউন্সিলর এবং বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই (Wang Yi) ভারতের প্রতি প্রেম বিলিয়েছেন। বলেছেন যে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বন্ধ করা উচিৎ ভারত এবং চিনের। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বন্ধন শক্তিশালী করতে দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া ভাল হওয়া উচিৎ। দশকের পর দশক ধরে চলা ভারত ও চিনের সীমান্ত সমস্যা সমাধানেরও কথা বলেছেন ওয়াং।

উল্লেখ্য তিন বছর আগে কোয়াড্রল্যাটেরাল গ্রুপিং বা কোয়াড গঠনকে রীতিমতো বিদ্রুপ করেছিলেন চিনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং। ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকাকে নিয়ে তৈরি হওয়া চতুর্ভুজকে তিনি 'সমুদ্রের মধ্যে একবিন্দু ফোম' বলে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন যে এই ঐক্যের দ্রুত অবসান ঘটবে। এর পরের তিন বছরে বিশ্ব কূটনৈতিক নদীতে বহু জল বয়ে গিয়েছে। লাদাখে শান্তিপূর্ণ বৈঠকের নামে নির্বিচারে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানকে হত্যা করে সব মহলে সমালোচিত হয়েছে চিন। কূটনৈতিক বিশ্বে কার্যত একঘরে হয়ে গিয়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ। এ হেন পরিস্থিতিতে কোয়াড্রল্যাটেরাল গ্রুপিং বা কোয়াডের বৈঠক যে তাদের জন্য খুব একটা সুখকর হবে না, তা বুঝেই বেজিং নমনীয় হওয়ার ভান করছে বলে মত কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: