শহরে নতুন টাইম মেশিন? তাতে চড়লেন প্রফেসর শঙ্কু !

শহরে নতুন টাইম মেশিন? তাতে চড়লেন প্রফেসর শঙ্কু !

ঠিকই শুনেছেন নিজে টাইম মেশিন বানাতে সফল না হলেও টাইম মেশিনে চড়ে অতীতে বা বর্তমানে ভ্রমণের স্বাদ পূরণ হল প্রফেসরের, তাও আবার এই শহরেই।

  • Share this:

Sreeparna Dasgupta

#কলকাতা: মিরাকুড়াল হোক বা আ‍্যনিহিলিন হোক বা হোক মাইক্রোসোনোগ্রাফ,কম কিছু আবিষ্কার করেননি প্রফেসর শঙ্কু। টাইম মেশিন তিনি বানানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু পরে তা আর শেষ করা হয়নি তাঁর। এবারে সেই সাধ পূরণ হল প্রফেসরের ?

হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন নিজে টাইম মেশিন বানাতে সফল না হলেও টাইম মেশিনে চড়ে অতীতে বা বর্তমানে ভ্রমণের স্বাদ পূরণ হল প্রফেসরের, তাও আবার এই শহরেই। নিশ্চয়ই ভাবছেন ,আরে তাহলে কি শঙ্কু অতীতে ফিরে গেলেন নাকি ভবিষ্যতে ? অবাক হচ্ছেন তো?

অবাক হবেন না এই টাইম মেশিনে শুধু প্রফেসর শঙ্কু চড়েননি । মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডোর গোটা টিম ছিল এখানে। ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, শুভাশিস মুখোপাধ্যায়, সন্দীপ রায় সহ এই ছবির কলাকুশলীরা সবাই ছিলেন এখানে। টাইম মেশিনে চড়া কি খুব কঠিন কাজ ? নানা একেবারেই নয়। এই মেশিনে রয়েছে বসার জন্য সুব্যবস্থা। সেখানে উঠে, পরে ফেলতে হবে থ্রিডি চশমা। সামনে থাকবে একটা মস্ত স্ক্রিন। আর সেখানেই যে ছবি চলবে, থ্রিডি চশমার সাহায্যে সেই ছবি দেখলেই আপনার মনে হতে পারে আপনি পৌঁছে গিয়েছেন অতীতে বা ভবিষ্যতে।

একটা বিশাল সাদা মেশিন। তাতে ওঠার পরেই ছবির সঙ্গে সঙ্গেই কেঁপে উঠবে সেই বিশাল টাইম মেশিন আর তাতেই আপনাকে দেবে রিয়েল ফিল। মনে হবে যেন আপনি নিজেই পৌঁছে গিয়েছেন সেই ল্যান্ডস্কেপে ।

জিজ্ঞেস করা গেল প্রফেসর শঙ্কু অর্থাৎ ধৃতিমানবাবুকে, কি দেখলেন অতীত না ভবিষ্যৎ?

তিনি জানালেন ‘আমি যে টাইম মেশিন চড়লাম তা দারুন এনজয় করেছি। কিন্তু আমাদের দেশের যা অবস্থা তাতে আমি বর্তমান দেখতে চাইব। সেটা পাল্টাতে পারলে ভালোই হতো।’

পরিচালক সন্দীপ রায় জানান ‘দারুণ এনজয় করলাম। এর কোনও বয়স হয় না।এই বয়সে এসেও দারুন উপভোগ করলাম এই টাইম মেশিন।’

নিশ্চয়ই এখনও ভাবছেন আরে এই টাইম মেশিন পাব কোথায় তাইতো? আসলে এটি সায়েন্স সিটির একটি নতুন সংযোজন। এই শীতের ছুটির মরশুমে আপনি যদি উপভোগ করতে চান এই টাইম মেশিন তাহলে আর দেরি কেন?

First published: 01:47:32 PM Dec 20, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर