#আজ চার্লির জন্মদিন: কবরস্থান থেকে চুরি গিয়েছে চ্যাপলিনের মরদেহ !

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব ৷ বেড়েই চলেছে মৃত্যু মিছিল ৷ কান পাতলেই কান্নার আওয়াজ ৷

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব ৷ বেড়েই চলেছে মৃত্যু মিছিল ৷ কান পাতলেই কান্নার আওয়াজ ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এখন গোটা বিশ্ব ৷ বেড়েই চলেছে মৃত্যু মিছিল ৷ কান পাতলেই কান্নার আওয়াজ ৷ ঘরবন্দি দশায় মানসিক দিক থেকে যখন বিপর্যস্ত মানুষ, ঠিক সেই সময়ই হঠাৎ করে ক্যালেন্ডার জানান দিল, আজ চার্লির জন্মদিন ৷ সেই চার্লি, যিনি কঠোর সময়ে, কঠিন সময়ে, দুঃখের মধ্যেও হাসতে শিখিয়েছেন ৷ পকেট ছেঁড়া জামা, চামড়া ওঠা জুতোয়, নাকের নিচে ছোট্ট গোঁফের তাঁর অভিব্যক্তি আজও এক পলকেই হাসির দুনিয়ার নিয়ে যায় ৷ কিন্তু এই হাসির আড়ালে বা বলা ভালো হাসির মধ্যে দিয়েই বেঁকে গিয়েছিল কত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ৷ হাসির মধ্যে দিয়েই তুমুল সমালোচনা করেছিলেন চার্লি ৷ কখনও হিটলারকে, কখনও স্তালিনকে, কখনও ফ্যাসিবাদ, পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই ‘ছোট্ট’ মানুষটি৷ আজ যখন দুনিয়া জুড়ে করোনা থাবা ৷ মারণ ভাইরাস নিয়ে রাজনীতি ৷ আর তাঁর ফাঁদে পড়ে সাধারণের প্রাণ যাচ্ছে, ঠিক তখনই মনে পড়ে যায় তাঁর একেকটি ছবির কথা ৷

    পরিবারের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে চার্লিকে ৯ বছর বয়সের আগেই রোজগারে শুরু করতে হয়। আর ১৪ বছর বয়সে মাকে পাগলাগারদে পাঠানো হয়। চ্যাপলিন তার শৈশব থেকেই শিশুশিল্পী হিসেবে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন নাট্যশালায় সফর করেন এবং পরে একজন মঞ্চাভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। ১৯১৪ সালে কিস্টোন স্টুডিওজের হয়ে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। চার্লি চ্যাপলিনের ৭৫ বছরের দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনটি বাদে বাকি সব চলচ্চিত্রই ছিল নির্বাক। চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম কথা বলেন ১৯৪০ সালে, দ্য গ্রেট ডিকটেটর চলচ্চিত্রে।

    ১৯৭৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর চার্লি চ্যাপলিন প্রায় নিঃসঙ্গ অবস্থায় সুইজারল্যান্ডে মারা যান। ১৯৭৮ সালের ৩ মার্চ সুইজারল্যান্ডের করসিয়ার-সার-ভেভে কবরস্থান থেকে চুরি হয়ে যায় চার্লি চ্যাপলিনের মরদেহ । পরে অবশ্য পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে এবং পুনরায় সমাধিস্থ করা হয় চার্লি চ্যাপলিনকে।

    Published by:Akash Misra
    First published: