advertisement

Stamp Collector: স্ট্যাম্প কালেক্টর সুহৃদ মুখার্জির ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে যাবে কে

Last Updated:

কলেজ পড়ার সময় থেকে এক বন্ধুর অনুপ্রেরণায় ৪৩ টি দেশের দুর্লভ ডাক টিকিট সংরক্ষণ করেছেন আলিপুরদয়ারের এক বাসিন্দা।পেশায় বর্তমানে ভূমি অধিগ্রহণ দফতরে চুক্তিভিত্তিক চাকুরিজিবী সুহৃদ মুখার্জি। 

+
title=

আলিপুরদুয়ার: কলেজ পড়ার সময় এক বন্ধুর উৎসাহে ডাকটিকিট সংগ্রহের শুরু। তারপর সেই শখ ধীরে ধীরে সুহৃদ মুখার্জিকে একজন স্ট্যাম্প কালেক্টর বা ডাক টিকিট সংগ্রাহকে পরিণত করে। বর্তমানে আলিপুরদুয়ারের এই আধা সরকারি কর্মীর সংগ্রহে আছে ৪৩ টি দেশের বিরল সব ডাকটিকিট।
সুহৃদ মুখার্জি আলিপুরদুয়ারে রাজ্য সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ দফতরে চুক্তিভিত্তিক চাকরি করেন। কাজের সময়টুকু বাদে তাঁর ধ্যান-জ্ঞান সবকিছুই ওই ডাকটিকিট জুড়ে। কলেজে পড়াকালীন ১৯৭৩ সালে প্রথম তিনি ডাকটিকিট সংগ্রহ করেন। ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ সহ বিশ্বের মোট ৪৩ টি দেশের ৪৬২ টি ডাকটিকিট সংগ্রহ করেন। বর্তমান সময়ে ডাক টিকিটের এমন বিপুল সংগ্রহ সচরাচর দেখা যায় না। তাই এই বিষয়ে নতুন প্রজন্মের যারা উৎসাহী তারা অনেকেই সুহৃদবাবুর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সংগ্রহের রাখা ট্যাম্পগুলি দেখেন। তাঁর সংগ্রহে থাকা প্রতিটি ডাক টিকিটের সঙ্গে কোনও না কোনও ইতিহাস বা গল্প জড়িয়ে আছে।
advertisement
advertisement
বর্তমানে এই প্রখ্যাত ডাক-টিকিট সংগ্রাহকের বয়স ৬৬ টি বছর। কিন্তু ডাকটিকি সংগ্রহে তাঁর যে ঐতিহ্য তা আগামী দিনে বজায় থাকবে কিনা সেটা নিয়ে গভীর সংশয়ে আছেন সুহৃদ মুখার্জি। কারণ স্মার্টফোনের দৌলতে ডাক টিকিট সংগ্রহের মতো শখ ও নেশাগুলি আজ ক্রমশই মুছে যাচ্ছে। কীভাবে তিনি ডাকটিকিট সংগ্রহ করতেন তা জানাতে গিয়ে এই প্রবীণ সংগ্রাহক বলেন, এই শখ তৈরি হওয়ার পর সকলকে বলে রেখেছিলাম কারোর বাড়িতে বিদেশ থেকে চিঠি এলেই আমাকে জানাতে। সেখানে থাকা ডাকটিকিট আমি সংগ্রহ করে নিয়ে আসতাম। তাঁর সংগ্রহে বর্তমানে ভারত ছাড়াও নেপাল, নেদারল্যান্ড, বাংলাদেশ, ইতালি, মিশর, পর্তুগাল, হংকং,পাকিস্তান, ইরাক, ইরান, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, কোস্টারিকা, ব্রাজিল সহ বহু দেশের ডাক টিকিট আছে।
advertisement
অনন্যা দে
view comments
বাংলা খবর/ খবর/আলিপুরদুয়ার/
Stamp Collector: স্ট্যাম্প কালেক্টর সুহৃদ মুখার্জির ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে যাবে কে
Next Article
advertisement
TMC: মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! রাইটার্স বিল্ডিংয়ে মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা, চিনুন তাঁকে
মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা
  • নদিয়ার শান্তিপুরের আন্দোলনের অন্যতম মুখ ফেলানি বসাকের মৃত্যু।

  • ১৯৯৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।

  • ফেলানি বসাকের মেয়ের ধর্ষকদের শাস্তির দাবি আজও পূরণ হয়নি।

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement