লক্ষ্য একটাই, উৎসব হবে পরিবেশবান্ধব। স্থানীয় কয়েকজন যুবক একজোট হয়ে জোরদার কর্মসূচি শুরু করেছে। চিনা মাঞ্জা সুতো ব্যবহারে একাধিক ঝুঁকি রয়েছে। রাস্তাঘাটে সুতো পেঁচিয়ে দুর্ঘটনা, পশু-পাখিদের বিপদের ঝুঁকিও রয়েছে প্রবল। ফলে যত ঘুড়ি উৎসবের দিন এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার অভিযান কর্মসূচি।
advertisement
বুধ ও বৃহস্পতিবার এলাকায় ঘুড়ির উৎসব। এই উৎসবে সামিল হবে এলাকার শৈশব থেকে যুবকরা। আর এই উৎসব যাতে নিরানন্দের না হয়, সেই চেষ্টাই করছে হাওড়ার যুবকরা। পশু-পাখি যাতে বিপদে না পড়ে সেই লক্ষ্যে অনবরত প্রচার অভিযানে নানা কর্মসূচি চালাচ্ছে।
যুবকদের কথায়, বর্তমানে ঘুড়ি উড়ান মানে বর্তমান সময়ে নাইলন সুতো ও প্লাস্টিক ঘুড়ি। এতে পশু পাখি, সাইকেল ও বাইক আরোহী মানুষ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবেশ রক্ষা এবং পশু, পাখিদের বিপদ মুক্ত করতে সকলে মিলে একজোট হয়ে পথে নেমেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা সুমন মান্না জানান, এই কাজে পুলিশের সহযোগিতায় আরও উৎসাহ মিলেছে। একই সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতায় স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করার সুযোগ পেয়েছি। উৎসবের আগে ছাত্র-ছাত্রী থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে দারুণ সাড়া মিলেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করতে, কাগজের ঘুড়ি এবং আগের দিনের রেশম সুতোর টোটা বিনা পয়সায় তুলে দেওয়া হয়েছে, তাতে আরও উৎসাহিত ছোটরা। পুলিশের সহযোগিতায় বিভিন্ন এলাকায় বিক্রেতাদের সচেতন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই মাঞ্জা সুতো বিক্রি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রচারে হাওড়া’র জগৎবল্লভপুর ব্লকের ঘাটাল চাঁদপুর বড়গাছিয়া-সহ বিভিন্ন গ্রাম এবং স্থানীয় ২৪টি স্কুলে সচেতন বার্তা নিয়ে পৌঁছয় যুবকরা।





