ডিস্ট্রিক্ট অফিস হ্যান্ডলুমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার হ্যান্ডলুম তাঁতি উপকৃত হবেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁতিদের অন্যতম বড় সমস্যা ছিল সুতোর দাম ও সহজলভ্যতা। নতুন এই ইয়র্ণ ডিপো চালু হলে তাঁতিরা সহজেই সাশ্রয়ী মূল্যে সুতো সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাঁদের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও লাভজনক করে তুলবে। এই প্রকল্পের অন্যতম বড় সুবিধা হল, হ্যান্ডলুম তাঁতিরা মিল গেট মূল্যে সুতো পাবেন এবং এর জন্য কোনও পরিবহণ খরচ বা ফ্রেইট দিতে হবে না।
advertisement
পাশাপাশি তাঁতিরা ন্যূনতম পাঁচ কেজি পর্যন্ত সুতো মিল গেট মূল্যে সংগ্রহ করতে পারবেন। এর ফলে ছোট ও মাঝারি তাঁতিরাও সহজেই সুতো কিনতে পারবেন। অন্যদিকে, পাওয়ারলুম তাঁতি ও অন্যান্য ক্রেতাদের ক্ষেত্রে মিলের মূল্যের সঙ্গে পরিবহণ খরচ যোগ করে সুতো সরবরাহ করা হবে। শুধু সুতো সরবরাহই নয়, তাম্রলিপ্ত স্পিনিং মিলের পক্ষ থেকে তাঁতিদের প্রযুক্তিগত সহায়তাও প্রদান করা হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এর মধ্যে রয়েছে পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রের উন্নত ব্যবহার এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ। এর ফলে তাঁতিরা আরও উন্নতমানের পণ্য তৈরি করতে পারবেন। হ্যান্ডলুম দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে তাম্রলিপ্ত স্পিনিং মিল বা হ্যান্ডলুম দফতরের তরফে যদি অতিরিক্ত কোনও সুবিধা চালু করা হয়, তাহলে শান্তিপুরের তাঁতিরাও সেই সুবিধা পাবেন। স্থানীয় তাঁতিশিল্পের উন্নয়ন ও তাঁতিদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।





