মঙ্গলবার প্রচারে বেরিয়ে তিনি দাবি করেন, বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে গোপন সমঝোতার কারণেই এই বিলম্ব। তাঁর কথায়, “সিপিএম এবং বিজেপির ভেতরে ভেতরে আন্ডার টেবিল অ্যালায়েন্স রয়েছে। সেই কারণেই এখানে বিজেপি প্রার্থী দিচ্ছে না, যাতে সিপিএম প্রার্থী সুবিধা পায়। এজন্য যেখানে সিপিএম আছে ইডি পাঠায় না, যেখানে দিদি আছে, সেখানেই পাঠায় ইডি, সিবিআই।”
advertisement
এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে নিজের প্রচার নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, এক সপ্তাহের মধ্যেই মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। বাড়ি, বাড়ি প্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য বলেও জানান।ভোটার তালিকা নিয়েও সরব হন তিনি।
আরও পড়ুন- হঠাৎ ব্রেক প্রচারে! ন্যায়ের দাবিতে ভোটের প্রচার বন্ধ রাখলেন শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী!
তাঁর অভিযোগ, তালিকা সংশোধনের নামে বহু প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হয়েছে। যদিও আদালতের হস্তক্ষেপে কিছুটা সমাধান হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শিল্প প্রসঙ্গেও তিনি সিপিআইএমের দিকে আঙুল তুলে বলেন, “৩৪ বছরে শিল্প ধ্বংস হয়েছে, এখন তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।” নির্বাচিত হলে শিল্প ও কর্মসংস্থানে জোর দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।





