এদিন সকালে খড়গপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে কর্মীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি নিজে হাতে পদ্ম প্রতীকের নিচে চুন-কালি দিয়ে প্রার্থীর নাম লেখেন তিনি। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য রাজনীতি ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, লড়াই করাটা তাঁর পুরনো অভ্যাস এবং সাধারণ মানুষ সবসময় তাঁর পাশে আছেন। মেদিনীপুরের মাটিতে তিনি নতুন নন, তাই জয়ের বিষয়ে তিনি এক প্রকার নিশ্চিত।
advertisement
বিরোধী পক্ষকে কটাক্ষ করে বলেন, যারা একসময় নির্বাচন কমিশনকে দেখে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিত, আজ তারাই ভয়ে কমিশনের দরজায় কড়া নাড়ছে। ঈশ্বরও তাদের এই ভয় থেকে বাঁচাতে পারবেন না। রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকদের বদলি প্রসঙ্গে তিনি সাফ জানান, যারা গত বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী হিংসা রুখতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জখম কর্মীদের ওপর অত্যাচার দেখেছিল, তাদের পশ্চিমবঙ্গে রাখা ঠিক হবে না। এদের জম্মু-কাশ্মীরের মতো জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া উচিত বলে তিনি উপহাস করেন।
আরও পড়ুনঃ এসি ঘরে রাখুন জলভরা বালতি! এতেই নাকি ঘটে ম্যাজিক…কারণ জানলে আপনিও রোজ করবেন গ্যারান্টি
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ ভুয়ো ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। আগামী দিনে আরও অনেক নাম বাদ যাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এছাড়াও সরকারি বাংলো দখল করে রাখা পুলিশ আধিকারিকদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে যেমন নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, তেমনই কিছু অফিসারও বদলির পর বাংলো ছাড়তে চান না। খড়গপুরে রেলের বাংলো দখল করে থাকা রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের অবিলম্বে ঘর ছাড়ার বার্তা দেন তিনি।
তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, অনেক বিধায়কই টিকিট না পেয়ে এখন বিজেপিতে আসার জন্য তলে তলে যোগাযোগ করছেন। রাজনৈতিক লড়াই যাই হোক না কেন, ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে উঠে এবার মেদিনীপুরে বিজেপি বড় ব্যবধানে জিতবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।





