advertisement

Brain Tumor Blood Test: শুধু একটি রক্ত ​​পরীক্ষাতেই ধরা পড়বে ব্রেন ক্যানসার, টিউমর! কী পরীক্ষা করতে হয়? জানুন বিশেষজ্ঞের মত

Last Updated:
Brain Tumor Blood Test: রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই ক্যানসার শনাক্ত করা যায়। শুধুমাত্র একটি ছোট রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমেই মস্তিষ্কের ক্যানসার টিউমার ৯০ শতাংশ নির্ভুলতার সঙ্গে শনাক্ত করা সম্ভব।
1/7
*আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির অনেক উন্নতি হয়েছে। যে রোগগুলোকে একসময় মারাত্মক বলে মনে করা হত, সেগুলোর জন্যও এখন নতুন চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত, তবে মস্তিষ্কে টিউমার তৈরি হলে তা খুঁজে বের করা ডাক্তারদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াত। শুধুমাত্র রোগীর মাথাব্যথা বা জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দিলেই পরীক্ষা করা হত।
*আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির অনেক উন্নতি হয়েছে। যে রোগগুলোকে একসময় মারাত্মক বলে মনে করা হত, সেগুলোর জন্যও এখন নতুন চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত, তবে মস্তিষ্কে টিউমার তৈরি হলে তা খুঁজে বের করা ডাক্তারদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াত। শুধুমাত্র রোগীর মাথাব্যথা বা জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দিলেই পরীক্ষা করা হত।
advertisement
2/7
*কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা অন্য কিছু আবিষ্কার করেছেন। তারা বলছেন, শুধুমাত্র একটি ছোট রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমেই মস্তিষ্কের ক্যানসার টিউমার ৯০ শতাংশ নির্ভুলতার সঙ্গে শনাক্ত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে এটি লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। রক্ত ​​পরীক্ষার সময় এই পরীক্ষাটিও করা হলে রোগটি আরও আগে শনাক্ত করা যেতে পারে।
*কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা অন্য কিছু আবিষ্কার করেছেন। তারা বলছেন, শুধুমাত্র একটি ছোট রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমেই মস্তিষ্কের ক্যানসার টিউমার ৯০ শতাংশ নির্ভুলতার সঙ্গে শনাক্ত করা সম্ভব। ভবিষ্যতে এটি লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। রক্ত ​​পরীক্ষার সময় এই পরীক্ষাটিও করা হলে রোগটি আরও আগে শনাক্ত করা যেতে পারে।
advertisement
3/7
*বর্তমান অসুবিধা কী কী? সাধারণত, যদি কেউ সন্দেহ করেন তার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে, অর্থাৎ যদি তিনি সন্দেহ করেন, তাঁর ব্রেন ক্যানসার হয়েছে। ডাক্তাররা সঙ্গে সঙ্গে এমআরআই স্ক্যান করেন। অথবা তারা টিউমার থেকে একটি ছোট অংশ নিয়ে বায়োপসি করেন। এটি একটি খুব কঠিন পদ্ধতি। কারণ মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে সেই অংশটি বের করে আনতে হয়। এটি রোগীর জন্য অনেক ভয় এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
*বর্তমান অসুবিধা কী কী? সাধারণত, যদি কেউ সন্দেহ করেন তার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে, অর্থাৎ যদি তিনি সন্দেহ করেন, তাঁর ব্রেন ক্যানসার হয়েছে। ডাক্তাররা সঙ্গে সঙ্গে এমআরআই স্ক্যান করেন। অথবা তারা টিউমার থেকে একটি ছোট অংশ নিয়ে বায়োপসি করেন। এটি একটি খুব কঠিন পদ্ধতি। কারণ মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে সেই অংশটি বের করে আনতে হয়। এটি রোগীর জন্য অনেক ভয় এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
advertisement
4/7
*কিন্তু এখন, ব্রিটিশ ও ড্যানিশ বিজ্ঞানীদের যৌথভাবে তৈরি এই রক্ত ​​পরীক্ষার কল্যাণে, এমন কঠিন পদ্ধতির প্রয়োজন ছাড়াই রোগটি শনাক্ত করা সম্ভব।
*কিন্তু এখন, ব্রিটিশ ও ড্যানিশ বিজ্ঞানীদের যৌথভাবে তৈরি এই রক্ত ​​পরীক্ষার কল্যাণে, এমন কঠিন পদ্ধতির প্রয়োজন ছাড়াই রোগটি শনাক্ত করা সম্ভব।
advertisement
5/7
*বিজ্ঞানীরা রক্তে দু-ধরনের প্রোটিন শনাক্ত করেছেন। মস্তিষ্কে রক্ত ​​জমাট বাঁধলে রক্তে এই প্রোটিনগুলো পাওয়া যায়। এগুলোকে 'লিকুইড বায়োপসি'ও বলা হয়। এই প্রোটিনগুলোর ওপর ভিত্তি করে, ডাক্তাররা মস্তিষ্কের টিস্যু স্পর্শ না করেই বলে দিতে পারেন, যে মস্তিষ্কের ভেতরে রক্ত ​​জমাট বেঁধেছে কিনা। প্রাথমিক পরীক্ষায় এটি ৯০ শতাংশের বেশি নির্ভুলতার সঙ্গে কাজ করে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
*বিজ্ঞানীরা রক্তে দু-ধরনের প্রোটিন শনাক্ত করেছেন। মস্তিষ্কে রক্ত ​​জমাট বাঁধলে রক্তে এই প্রোটিনগুলো পাওয়া যায়। এগুলোকে 'লিকুইড বায়োপসি'ও বলা হয়। এই প্রোটিনগুলোর ওপর ভিত্তি করে, ডাক্তাররা মস্তিষ্কের টিস্যু স্পর্শ না করেই বলে দিতে পারেন, যে মস্তিষ্কের ভেতরে রক্ত ​​জমাট বেঁধেছে কিনা। প্রাথমিক পরীক্ষায় এটি ৯০ শতাংশের বেশি নির্ভুলতার সঙ্গে কাজ করে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
advertisement
6/7
*সাধারণ স্ক্যানে দেখা যাওয়ার আগেই রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে রক্ত ​​জমাট বাঁধা শনাক্ত করা সম্ভব। যত তাড়াতাড়ি রোগটি শনাক্ত করা যায়, চিকিৎসাও তত ভালভাবে কাজ করে। বায়োপসির মতো বিপজ্জনক অপারেশনের প্রয়োজন ছাড়াই রোগ নির্ণয় করা যায়। এছাড়া, চিকিৎসা চলাকালীন রক্ত ​​জমাট বাঁধা অংশটি ছোট হচ্ছে কি না, তাও এই পরীক্ষার মাধ্যমে সময়ে সময়ে জানা যায়। বিজ্ঞানীরা এটিকে করোনা টেস্ট কিটের মতো একটি ছোট ডিভাইসে পরিণত করার আশা করছেন। ফলে এই পরীক্ষাটি ছোট শহরগুলোতেও করা সম্ভব হবে, যেখানে বড় হাসপাতাল নেই।
*সাধারণ স্ক্যানে দেখা যাওয়ার আগেই রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে রক্ত ​​জমাট বাঁধা শনাক্ত করা সম্ভব। যত তাড়াতাড়ি রোগটি শনাক্ত করা যায়, চিকিৎসাও তত ভালভাবে কাজ করে। বায়োপসির মতো বিপজ্জনক অপারেশনের প্রয়োজন ছাড়াই রোগ নির্ণয় করা যায়। এছাড়া, চিকিৎসা চলাকালীন রক্ত ​​জমাট বাঁধা অংশটি ছোট হচ্ছে কি না, তাও এই পরীক্ষার মাধ্যমে সময়ে সময়ে জানা যায়। বিজ্ঞানীরা এটিকে করোনা টেস্ট কিটের মতো একটি ছোট ডিভাইসে পরিণত করার আশা করছেন। ফলে এই পরীক্ষাটি ছোট শহরগুলোতেও করা সম্ভব হবে, যেখানে বড় হাসপাতাল নেই।
advertisement
7/7
*যদি এই পরীক্ষাটি সম্পূর্ণরূপে সহজলভ্য হয়, তবে এটি ক্যানসার চিকিৎসায় একটি বড় মাইলফলক হবে। রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে। টিউমারগুলো ছোট থাকতেই অপসারণ করা এবং রোগীর জীবন বাঁচানো সহজ হবে। বিজ্ঞানীরা একই ধরনের রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু মস্তিষ্কের ক্যানসার নয়, ফুসফুস, স্তন এবং অন্ত্রের ক্যানসারও শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
*যদি এই পরীক্ষাটি সম্পূর্ণরূপে সহজলভ্য হয়, তবে এটি ক্যানসার চিকিৎসায় একটি বড় মাইলফলক হবে। রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে। টিউমারগুলো ছোট থাকতেই অপসারণ করা এবং রোগীর জীবন বাঁচানো সহজ হবে। বিজ্ঞানীরা একই ধরনের রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু মস্তিষ্কের ক্যানসার নয়, ফুসফুস, স্তন এবং অন্ত্রের ক্যানসারও শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
advertisement
advertisement
advertisement