এদিন নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে দিলীপের দাবি, তাঁরা যা বলেছিলেন ঠিক তাই হচ্ছে। প্রায় ৮০-৮৫ লক্ষ নাম ঝুলে ছিল, যার মধ্যে ৫০ লক্ষ ইতিমধ্যেই বাদ গেছে। এরা সবাই ভুয়ো ভোটার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতেন এই ১ কোটি ১০ লক্ষ ভোটারের কথা, তাই উনিই তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন। খড়গপুরের বিধায়ক প্রদীপ সরকারের ‘সাদা রং’ মেখে প্রতিবাদকেও এদিন কড়া ভাষায় বিঁধেছেন মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী। তাঁর কথায়, তৃণমূল ড্রামা করতে খুব ওস্তাদ। কলসি নিয়ে পার্লামেন্টে ঢোকা বা হাঁড়ি নিয়ে নাচা, এগুলো ওদের পুরনো স্বভাব। কিন্তু নাটক করে সত্য লুকানো যাবে না। মুখে যত খুশি পাউডার মাখলেও কালো চামড়া কখনও সাদা হয় না।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এপ্রিলে শুধু ছুটি আর ছুটি…! লং উইকেন্ড কোন সপ্তাহে? রইল স্কুল, অফিস, ব্যাঙ্ক বন্ধের সম্পূর্ণ তালিকা
রাজ্যে ইডি-সিবিআইয়ের তৎপরতা এবং নগদ টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে দিলীপবাবুর অভিযোগ, আমপান থেকে শুরু করে মিড-ডে মিল, সব প্রকল্পের টাকা লুঠ করে তৃণমূল নেতারা ব্যবসায়ীদের কাছে গচ্ছিত রেখেছেন। সেই কারণেই সিবিআই ও ইডির তল্লাশি আরও দ্রুত হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাংলা সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শাহের দশ বছরের পরিশ্রমেই বাংলায় আজ বিজেপি শক্তিশালী জায়গায় পৌঁছেছে এবং আগামী দিনেও বড় জয় আসবে। একইসঙ্গে খড়গপুরের মানুষের সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিনাকারণে এখানকার মানুষের ওপর কোনও অত্যাচার সহ্য করা হবে না। লোকালয় ও রেলের উচ্ছেদ নিয়ে অতীতেও যেমন তিনি লড়াই করেছেন, আগামী দিনেও মানুষের পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দিলীপের।





