সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত মালদহ জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার দেরিতে রেসপন্স করার বিষয়টি স্বীকারও করেন। এরপরই আরও কড়া সুরে সতর্কবার্তা দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, না হলে কমিশন গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
‘এই কারণেই ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বিরোধীরা!’ মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে এ কী বললেন কাজল শেখ, আশিস?
advertisement
আঁধার নামলেই জ্বলে ওঠে এই রেল স্টেশনের সাতরঙা আলো! এত ঝলমল… দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠছে!
প্রসঙ্গত, গতকাল মালদহ জেলার কালিয়াচক- ২ নম্বর ব্লকের সুজাপুর, মোথাবাড়ি-সহ একাধিক এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের মূল সংযোগকারী ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। মোথাবাড়িতে কালিয়াচক- ২ নম্বর বিডিও অফিসের ভিতরে বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ৷
বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া প্রশ্ন তোলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি জানতে চান, কেন দেরিতে রেসপন্স করা হল এবং সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া গেল না কেন। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত কতগুলি এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাও জানতে চান তিনি। কমিশন সূত্রে খবর, ঘটনায় যারা যুক্ত, তাঁদের প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেফতার করার নির্দেশও দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। একইসঙ্গে, গোটা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য কমিশনের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে যাতে অযথা ভিড় না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকেই। বৈঠকে উপস্থিত কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের দিকেও প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি। খবর পাওয়ার পরেও কেন দ্রুত রেসপন্স করা হল না, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঘটনায় জুডিশিয়াল অফিসাররা আটকে পড়ার পরও পুলিশ দেরিতে পৌঁছয়, যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ে কমিশনের শীর্ষস্তরে। গোটা বিষয়টি ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সমন্বয় নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকার বার্তাই স্পষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন।
