ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, আগে পুলিশ ও ভুয়ো ভোটার দিয়ে যে দাদাগিরি চলত, এবার তার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দিলীপ বলেন, যারা লুঠ করে জেতে, তারা কেন ভয় পাচ্ছে? তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রী আসলে বুঝে গিয়েছেন, এবার আর জেতা সম্ভব নয়, তাই তিনি ‘কাদায় আটকে গেছেন’। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৬০ হাজার ভোটের লিডের দাবিকেও উড়িয়ে দিয়ে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, লিড তো দূরস্থান, আগে ৬০ হাজার ভোট পেয়ে দেখাক তৃণমূল।
advertisement
রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, বিশেষ করে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যু ও অব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সাংসদ। তাঁর ভাষায়, আরজি করের মতো হাসপাতাল এখন সাধারণ মানুষের ‘মৃত্যুফাঁদ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও যোগ্যতা নেই। একের পর এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার পরেও সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই।
আরও পড়ুনঃ বি-টেক ডিগ্রি থাকলে মোটা মাইনের চাকরি আইআইটি খড়গপুরে, কীভাবে আবেদন করবেন? জানুন
নিজস্ব কেন্দ্র খড়গপুরের ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়েও সরব হন দিলীপ ঘোষ। পুরসভার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বিধায়ক থাকাকালীনই তিনি এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। একইসঙ্গে তিনি সেই সব মানুষের সমালোচনা করেন যারা দূষণকারী কারখানার টাকা নিয়ে টুর্নামেন্ট বা অনুষ্ঠান করেন অথচ বাইরে দূষণ নিয়ে কথা বলেন। অন্যদিকে, বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলা বিক্ষোভকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, রাজনীতিতে টিকিট না পেলে সাময়িক মন খারাপ বা ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের স্বার্থে সবাই এক হয়েই লড়াই করবে।





