advertisement

East Medinipur News: ঘন্টুকে হারিয়ে চোখের জলে কৃষ্ণেন্দু, পোষ্যের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ, সারমেয় ভোজন

Last Updated:
East Medinipur News:সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামের কৃষ্ণেন্দু বেরার জীবনে ঘন্টু ছিল অনেক কিছু! নিজের সন্তানের থেকে কম কিছু ছিল না পোষ্য সারমেয়। ঘন্টুর মৃত্যুতে তার আত্মার শান্তি কামনায় দিনভর উপনিষদ পাঠ থেকে শুরু করে সারমেয় ভোজন চলল সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামে।
1/6
এ যেন চার্লি ও ধর্মার গল্প। বছরখানেক আগে কন্নড় ভাষায় তৈরি হওয়া ‘৭৭৭ চার্লি’ সিনেমার সারমেয় চার্লি ও ধর্মার সম্পর্কের গল্প চোখে জল এনে দিয়েছিল বহু পশুপ্রেমী মানুষের। ক্যানসারে আক্রান্ত চার্লির মৃত্যু মনে দাগ কেটেছিল পশুপ্রেমীদের। সেই গল্পেরই যেন পুনরাবৃত্তি ঘন্টু ও কৃষ্ণেন্দুর জীবনে। এক সময় ধর্মার মতোই সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামের কৃষ্ণেন্দু বেরার একাকী জীবনে এসেছিল সারমেয় ঘন্টুর। এর পর ক্রমে ক্রমে নিবিড় হয় দু'জনের সম্পর্ক।
এ যেন চার্লি ও ধর্মার গল্প। বছরখানেক আগে কন্নড় ভাষায় তৈরি হওয়া ‘৭৭৭ চার্লি’ সিনেমার সারমেয় চার্লি ও ধর্মার সম্পর্কের গল্প চোখে জল এনে দিয়েছিল বহু পশুপ্রেমী মানুষের। ক্যানসারে আক্রান্ত চার্লির মৃত্যু মনে দাগ কেটেছিল পশুপ্রেমীদের। সেই গল্পেরই যেন পুনরাবৃত্তি ঘন্টু ও কৃষ্ণেন্দুর জীবনে। এক সময় ধর্মার মতোই সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামের কৃষ্ণেন্দু বেরার একাকী জীবনে এসেছিল সারমেয় ঘন্টুর। এর পর ক্রমে ক্রমে নিবিড় হয় দু'জনের সম্পর্ক।
advertisement
2/6
এরই মাঝে সংসার হয় কৃষ্ণেন্দুর। তার স্ত্রী ও পুত্র সন্তানের কাছেও আপন হয়ে ওঠে ঘন্টু। কিন্তু চার্লির মতোই কয়েক মাস আগে প্রিয় ঘন্টু সকলের বাঁধন ছিন্ন করে পরলোকে যাত্রা করে। তার চলে যাওয়ায় গোটা পরিবারে তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা। ঘন্টুর শান্তি কামনায় দিনভর উপনিষদ পাঠ থেকে শুরু করে সারমেয় ভোজন চলল সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামে।
এরই মাঝে সংসার হয় কৃষ্ণেন্দুর। তার স্ত্রী ও পুত্র সন্তানের কাছেও আপন হয়ে ওঠে ঘন্টু। কিন্তু চার্লির মতোই কয়েক মাস আগে প্রিয় ঘন্টু সকলের বাঁধন ছিন্ন করে পরলোকে যাত্রা করে। তার চলে যাওয়ায় গোটা পরিবারে তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা। ঘন্টুর শান্তি কামনায় দিনভর উপনিষদ পাঠ থেকে শুরু করে সারমেয় ভোজন চলল সুতাহাটার দ্বারিবেড়িয়া গ্রামে।
advertisement
3/6
দ্বারিবেড়িয়ার কৃষ্ণেন্দু বেরা পেশায় ব্যবসায়ী। ব্যবসা সূত্রে আগে মেচেদায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানেই দেখা হয় পথকুকুর ঘন্টুর সঙ্গে। আস্তে আস্তে দু'জনের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একে অপরকে ছাড়া দিন যেন অচল হয়ে পড়ে। সেই ঘন্টুর মৃত্যুতে সকলেই ভেঙে পড়েন। অশৌচ পালন করেন। বেরা পরিবারের সকলেই নখ লোম ত্যাগ করেছেন। এর পর এদিন দিনভর চলল উপনিষদ পাঠ থেকে শুরু করে বৃক্ষরোপণ ও সারমেয় ভোজন। এক আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হল দ্বারিবেড়িয়া গ্রামে।
দ্বারিবেড়িয়ার কৃষ্ণেন্দু বেরা পেশায় ব্যবসায়ী। ব্যবসা সূত্রে আগে মেচেদায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানেই দেখা হয় পথকুকুর ঘন্টুর সঙ্গে। আস্তে আস্তে দু'জনের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একে অপরকে ছাড়া দিন যেন অচল হয়ে পড়ে। সেই ঘন্টুর মৃত্যুতে সকলেই ভেঙে পড়েন। অশৌচ পালন করেন। বেরা পরিবারের সকলেই নখ লোম ত্যাগ করেছেন। এর পর এদিন দিনভর চলল উপনিষদ পাঠ থেকে শুরু করে বৃক্ষরোপণ ও সারমেয় ভোজন। এক আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হল দ্বারিবেড়িয়া গ্রামে।
advertisement
4/6
ঘন্টুর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে হাজির হন বাংলাদেশের অতিথিরাও। কৃষ্ণেন্দুর শ্বশুরবাড়ি বাংলাদেশে। তাই বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গেও ঘন্টুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিন শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে হাজির হন বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্টার প্রবীর কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান তথা কৃষ্ণেন্দুর স্ত্রী শিপ্রা সরকার বেরা-সহ অন্যান্যরা। এদিন উপনিষদ পাঠ করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহিষাদল শাখার মহারাজ স্বামী মুক্তেশ্বরানন্দ। এরপর আহুতি দেন পরিবারের সকলে।
ঘন্টুর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে হাজির হন বাংলাদেশের অতিথিরাও। কৃষ্ণেন্দুর শ্বশুরবাড়ি বাংলাদেশে। তাই বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গেও ঘন্টুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিন শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে হাজির হন বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্টার প্রবীর কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান তথা কৃষ্ণেন্দুর স্ত্রী শিপ্রা সরকার বেরা-সহ অন্যান্যরা। এদিন উপনিষদ পাঠ করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহিষাদল শাখার মহারাজ স্বামী মুক্তেশ্বরানন্দ। এরপর আহুতি দেন পরিবারের সকলে।
advertisement
5/6
কৃষ্ণেন্দু বলেন, “ঘন্টু আমাদের কাছে বাড়ির সদস্য। ওকে ছাড়া কোনওভাবেই আমাদের দিন কাটছে না। ওর আত্মার শান্তির জন্য আমাদের এই আয়োজন।” এদিন ঘন্টুর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর পাঁচ জন মানুষের মতোই শ্রাদ্ধের আমন্ত্রণপত্র ছাপানো হয়। অনুষ্ঠানে ছিল ঘন্টুর ছবি, রবীন্দ্রসঙ্গীতের আয়োজন।
কৃষ্ণেন্দু বলেন, “ঘন্টু আমাদের কাছে বাড়ির সদস্য। ওকে ছাড়া কোনওভাবেই আমাদের দিন কাটছে না। ওর আত্মার শান্তির জন্য আমাদের এই আয়োজন।” এদিন ঘন্টুর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর পাঁচ জন মানুষের মতোই শ্রাদ্ধের আমন্ত্রণপত্র ছাপানো হয়। অনুষ্ঠানে ছিল ঘন্টুর ছবি, রবীন্দ্রসঙ্গীতের আয়োজন।
advertisement
6/6
ঘন্টুর স্মৃতিতে সমাধিস্থলে বৃক্ষরোপনও করা হয়। পাশাপাশি শ্মশান বন্ধুদের চারা গাছ বিতরণ করা হয় । অতিথি হিসেবে আশেপাশের পথ কুকুরদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। এই আবেগঘন মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় অনেকেই।
ঘন্টুর স্মৃতিতে সমাধিস্থলে বৃক্ষরোপনও করা হয়। পাশাপাশি শ্মশান বন্ধুদের চারা গাছ বিতরণ করা হয় । অতিথি হিসেবে আশেপাশের পথ কুকুরদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। এই আবেগঘন মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় অনেকেই।
advertisement
advertisement
advertisement