পড়াশোনার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি চমক জাগিয়েছে তার যোগব্যায়ামের প্রতিভা। সাধারণত যোগা ম্যাটের ওপর অনুশীলন করলেও, অদ্রীশ এখন কাঠের ছোট্ট টুলের ওপর দাঁড়িয়ে নিখুঁতভাবে বিভিন্ন যোগাসন করতে পারে। যেকোনও আর্টিস্টিক যোগাতে তার নিখুঁত জ্ঞান। জানা গিয়েছে, মাত্র চার বছর বয়স থেকেই তার যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ শুরু হয়। বাবা-মায়ের উদ্যোগেই প্রথমে শরীর সুস্থ রাখার জন্য এই প্রশিক্ষণে ভর্তি করা হয় তাকে।
advertisement
ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাধ্যমে সে রপ্ত করে ফেলে কঠিন সব যোগাসন। ইতিমধ্যেই রাজ্য স্তরের একাধিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কারও জিতেছে অদ্রীশ। তার বাবা সৌরভ মাইতি একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত এবং মা তনুশ্রী পেশায় শিক্ষিকা। বাড়িতে অনুশীলনের সময় বাবাই তাকে সহযোগিতা করেন। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তার নিয়মিত প্র্যাকটিস।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অদ্রীশের শরীরের নমনীয়তা এতটাই বেশি যে তাকে দেখে মনে হয় শরীরে যেন কোনও বাধা নেই। মাটিতে, ম্যাটে কিংবা টুলের ওপর, সব জায়গাতেই সে সমান দক্ষতায় যোগাসন করতে পারে। তার এই সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ পারফরম্যান্স ইতিমধ্যেই সকলকে মুগ্ধ করেছে। এত কম বয়সে এমন প্রতিভা শুধু পরিবারের নয়, গোটা এলাকার গর্ব। স্থানীয় বাসিন্দারা অদ্রীশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে সে বড় মঞ্চেও নিজের প্রতিভার ছাপ রাখতে পারবে, এমনটাই মনে করছেন সকলে।





