সেই ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১১৷ একটানা ৩৪ বছর এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন SUCI-র প্রতিনিধি৷ প্রথমে ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত জয়নগর কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন দেবপ্রসাগ সরকার৷ তারপরে ২০১১ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তরুণকান্তি নস্কর৷ তারপরে ২০১১ সালে ক্ষমতাবদলের বছরে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিশ্বনাথ দাস৷
advertisement
২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে এসইউসিআই-এর হয়ে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে লড়েছিলেন নিরঞ্জন নস্কর। তিনিই এবার জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রে এসইউসিআই প্রার্থী। প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই নেমে পড়েছেন দেওয়াল লিখনের কাজে। জয়নগর-মজিলপুর শহরে যানজট একটি প্রবল সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে শহরকে মুক্ত করাই প্রধান লক্ষ্য নিরঞ্জনবাবুর।
জয়নগর-মজিলপুর পুরসভা এলাকার তিলিপাড়ায় বাড়ি নিরঞ্জনবাবুর। তিনি রাজ্য এসইউসিআই দলের ট্রেড কমিটির সদস্য ও বারুইপুর সাংগঠনিক জেলার দলের সম্পাদক।
নিরঞ্জনবাবু বলেন, ‘‘আমি দলের পুরনো কর্মী। লোকসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পরেও জনসংযোগে পিছিয়ে যাইনি। তাই দল প্রার্থী করেছে। গোটা বিধানসভার মধ্যে জয়নগর শহরে ঢোকার মুখে যানজটে তিতিবিরক্ত মানুষ। শাসকদলের বিধায়ক এই ব্যাপারে উদাসীন। এই যানজট দূর করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।’’
প্রয়োজনে বাইপাস নির্মাণের চিন্তাভাবনাও আছে। বৃহস্পতিবার থেকেই জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিতে চান নিরঞ্জনবাবু। বলেন, ‘‘আমি বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচারে জোর দেব। জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারেরা বদল চান বিধায়কের। দুর্নীতি আর স্বজনপোষণ দেখতে দেখতে মানুষ বিরক্ত৷ ’’





