অহংজিতের এই শিল্পচর্চার পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে তার গৃহশিক্ষক সঞ্জয় পয়ড়্যার। তাঁর কাছ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে কয়েক বছর ধরে এই বিশেষ ধরনের ছবি ফুটিয়ে তুলেছে বিভিন্ন পাতার উপর। ছোটবেলা থেকে আঁকার বিশেষ অভ্যাস না থাকলেও নিজের আগ্রহ ও চেষ্টায় আজ সে এক নতুন পরিচয় তৈরি করতে পেরেছে।
advertisement
পড়াশোনার ফাঁকে সময় পেলেই পাতা ও পেন নাইফ নিয়ে বসে পড়ে অহংজিৎ। অনেক সময় রাত জেগেও চলে তার এই শিল্প সাধনা। ইতিমধ্যেই তার তৈরি বিভিন্ন প্রতিকৃতি বাড়ির দেওয়ালে সাজিয়েছে। শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের অনুরোধেও সে তৈরি করে দিয়েছে একাধিক শিল্পকর্ম। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় কয়েক মাস এই চর্চা বন্ধ থাকলেও পরীক্ষার চাপ কাটতেই আবার নতুন উদ্যমে কাজে নেমেছে সে। তার এই নিষ্ঠা ও সৃজনশীলতা এলাকার মানুষজনকে মুগ্ধ করেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অহংজিতের এই অনন্য প্রতিভাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে ভবিষ্যতে সে আরও বড় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।





