ভোট ঘোষণার আগেই একাধিকবার উত্তরপাড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে, ফলে এলাকায় তাঁর সংগঠনিক প্রস্তুতি আগেই তৈরি করা হচ্ছিল বলেই মনে করছেন অনেকে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের মধ্যেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভোট পান।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বহরমপুরে বিরাট চমক! তিন দশক পর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হচ্ছেন অধীর
এবারের নির্বাচন প্রসঙ্গে মীনাক্ষী বলেন, সেদিনও তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়েছেন, আজও সেই লড়াই চলছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে বেকারত্ব, শিক্ষাব্যবস্থা ও নারীর নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনও সমাধান হয়নি। ভোটার তালিকা নিয়েও সরব হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর দাবি, বৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন হলে তা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন। উত্তরপাড়ার স্থানীয় সমস্যা নিয়েও একাধিক ইস্যু তুলে ধরেছেন এই সিপিআইএম প্রার্থী।
আরও পড়ুনঃ শুধু একটি রক্ত পরীক্ষাতেই ধরা পড়বে ব্রেন ক্যানসার, টিউমর! কী পরীক্ষা করতে হয়? জানুন বিশেষজ্ঞের মত
তাঁর কথায়, এলাকার একাধিক স্কুল অব্যবস্থার শিকার, বহু কারখানা ধুঁকছে। শিল্প পুনরুজ্জীবন, নিকাশি ব্যবস্থা, পুর পরিষেবা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলকেই আক্রমণ করে মীনাক্ষীর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে রাজ্যে দুর্নীতি ও সন্ত্রাস বেড়েছে এবং সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষীর প্রচার ঘিরে বেড়েছে রাজনৈতিক তৎপরতা। স্থানীয়দের একাংশ তাঁকে ‘ঘরের মেয়ে’ বলেও উল্লেখ করছেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





