যারা বহু বছর ধরে ভোট দিয়ে আসছেন, তাদের অনেকেই জানাচ্ছেন— এবার তালিকায় নাম না থাকায় তারা মানসিক চাপে ভুগছেন। কেন এমন হল, সেই প্রশ্নের উত্তরও স্পষ্ট নয় কারও কাছে। ফলে ধীরে ধীরে বাড়ছে দুশ্চিন্তা ও অস্বস্তি। নির্ধারিত হিয়ারিংয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেকের নাম ফেরত আসেনি। এতে আরও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। অনেকেই এখন ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হচ্ছেন, কিন্তু সেখানেও প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে বলে অভিযোগ।
advertisement
আরও পড়ুন-এ কী অবস্থা হিরণের? ভোট চাইতে গিয়ে পড়লেন চরম বিপাকে, ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল নেটদুনিয়ায়…
রাজ্যজুড়ে এই প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ায় সামগ্রিকভাবে একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এবং অনেকেই এখনও নিজেদের অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ধারণা পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের কথায়, বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক নয়— এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পরিচয় ও অধিকার নিয়ে গভীর উদ্বেগ। পরিবারে পরিবারে এখন একটাই আলোচনা— ভোট দিতে পারব তো! সব মিলিয়ে, ভোটের আগে এই পরিস্থিতি বসিরহাট-সহ সীমান্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের নীরব আতঙ্ক ও অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা ধীরে ধীরে বড় সামাজিক উদ্বেগে পরিণত হচ্ছে।





