হঠাৎ করেই দর্শকের মাঝখান থেকে আগুন আতঙ্ক শুরু হয়৷ স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সভায় উপস্থিত সকলেই৷ হুড়োহুড়ি হচ্ছে দেখে বক্তৃতা থামিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ তারপরেই তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেন৷
মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, ‘‘আপনারা ওখান থেকে একটু সরে আসুন। ইলেকট্রিকের কাজ করেছেন কারা? তাঁরা দেখুন। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। একটু সরে আসুন। ইলেকট্রিকের লোকেরা কাজ করবেন, কোনও সাধারণ মানুষ হাত দেবেন না। একটা ফ্লাশ হয়েছে। কেন হবে?’’
advertisement
মমতার কড়া হুঁশিয়ারি, ‘‘যে করেছে তাঁর বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া উচিত। তারে তারে সংঘর্ষ। যে করেছেন, তাঁর উদ্দেশ্যটা ভাল নয়। পায়ে তার লেগেছে বলছে। এ সব অজুহাত দেখানোর দরকার নেই। তুমি এমন কিছু নিশ্চয়ই করতে দেবে না যে, পায়ে তার লাগলেই একটা শর্ট সার্কিট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে! কেন? এ সব মিটিঙে কেয়ার নেওয়ার দরকার নেই? পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব লোক তুলে দিয়ে, এগুলো দেখার লোক নেই?’’
ঘটনার আগেই মঞ্চ থেকে এসআউআর-এ ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ট্রাইব্যুনালের কাজ শেষ হওয়ার আগে কেন প্রথম দফার তালিকা ফ্রিজ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি৷
মমতা বলেন, ‘‘ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নাম কাটার জন্য এই এসআইআর ষড়যন্ত্র করলেন কেন? তৃণমূলের সিটগুলো দেখে দেখে নাম কেটেছে। কল্যাণ আমাকে বলছিল, হুগলি জেলায় অনেক নাম কেটেছে। আমি বললাম, শুধু হুগলি জেলায়? উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, খোদ কলকাতায়, আমার ভবানীপুর কেন্দ্রে। মাত্র ২ লক্ষ ৫১ হাজার ভোটার ছিল। আগে কেটেছিল ৪৮ হাজার। অ্যাডজুডিকেশনেও ১৪ হাজার। তাঁদের ভবিষ্যতও আমরা জানি না। প্রায় ৬০ হাজারের কাছাকাছি। দিনহাটায় ৩৫ হাজার ভোট কেটে নিয়েছে। রাজবংশী ভোট। দেখে দেখে মুর্শিদাবাদ, মালদহ পুরো বরবাদ। ভবানীপুর কেন বরবাদ? হুগলি জেলা কেন বরবাদ? ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর কেন বরবাদ?’’
