এতদিন এই অঞ্চলে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে ভরসা করতে হতো প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের খড়গপুর কিংবা ওড়িশার জলেশ্বরের দমকল বাহিনীর উপর। ফলে সময়মত সাহায্য না পৌঁছনোয় ক্ষয়ক্ষতি বাড়ত। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবেই এই ফায়ার স্টেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আরও পড়ুনঃ সকালে হাটে যাওয়ার পথে গাড়ির টায়ার ফেটে বিপত্তি! খড়গপুরে উল্টে গেল ছোটা হাতি, জখম ১২ জন যাত্রী
advertisement
২০১৭ সালে দমকল কেন্দ্রের জন্য জায়গা চিহ্নিত করে বাউন্ডারি ওয়াল তৈরি হলেও অর্থাভাবে কাজ থমকে ছিল। অবশেষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সেই বাধা কাটল। রবিবার পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা এলাকায় এসে মাপজোক সম্পন্ন করেন এবং ‘টু পাম্প’ ফায়ার স্টেশন ও জলাধার নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
আরও পড়ুনঃ বাইকে একসঙ্গে ৪ জন! ডাম্পারের ধাক্কায় ছিটকে এদিক-ওদিক, পুরুলিয়ার দুই ছৌ শিল্পীর মর্মান্তিক মৃত্যু
নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, “এই দমকল কেন্দ্র শুধু নারায়ণগড় নয়, কেশিয়াড়ি ও দাঁতনের মানুষদেরও উপকৃত করবে। বিধানসভায় বিষয়টি তুলে ধরার পর প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ হওয়ায় আজ কাজ শুরু হল। এটা অত্যন্ত আনন্দের।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে আধুনিক সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কর্মী ও দ্রুত পরিষেবার মাধ্যমে গোটা অঞ্চলের অগ্নিনিরাপত্তা অনেক বেশি সুদৃঢ় হবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি ও শিল্পাঞ্চলের জন্য এটি বড় সুরক্ষা বলয় তৈরি করবে। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই দমকল কেন্দ্র শুধু একটি পরিকাঠামো নয়, বরং নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি, এমনটাই মনে করছেন বেলদা-নারায়ণগড়ের মানুষ।





