কেশিয়াড়ির ভসরা, আমিলাশাই এবং দাঁতনের বড়া-সহ একাধিক গ্রামে নদীর ধারে বালি মাটির আধিক্যের কারণে ধান চাষ তেমন সম্ভব হয় না। ফলে কৃষকেরা বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন সবজি চাষ। মরশুম অনুযায়ী লাউ, কুমড়ো, বেগুন, টমেটো, শসা, ঝিঙে-সহ নানা ধরনের সবজি ফলিয়ে ভালই লাভ করছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ কয়েক মিনিটের ঝড়ে সব শেষ! অন্ধকারে থেমে গেল চিকিৎসা, অক্সিজেনের অভাব ছটফট করে মৃত্যু
advertisement
স্থানীয় কৃষকদের কথায়, কম জল এবং তুলনামূলক কম খরচে সবজি চাষ করা সম্ভব। পাশাপাশি দ্রুত ফলন হওয়ায় বছরে একাধিকবার চাষ করা যায়, যা আয়ের দিক থেকেও লাভজনক। উৎপাদিত সবজি জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি হওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতেও রফতানি করা হয়। এর ফলে কৃষকদের আয়ের পরিধি আরও বেড়েছে।
অনেক কৃষকই জানিয়েছেন, আগে শুধুমাত্র এক ফসলের উপর নির্ভর করে সংসার চালানো কঠিন ছিল। কিন্তু এখন সবজি চাষের মাধ্যমে সারা বছরই কিছু না কিছু আয় হচ্ছে। ফলে পরিবারের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী তীরবর্তী এই বালি মাটিতে সবজি চাষের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। সঠিক প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহায়তা পেলে এই অঞ্চল আরও বড় কৃষি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায়, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথ খুঁজে পেয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের এই সবজি চাষিরা। তাঁদের এই উদ্যোগ অন্য এলাকাতেও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।





