জানা গিয়েছে, নৈহাটি পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার। অভিযোগ, সদ্য প্রকাশিত ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর মা আরতি সরকারের নাম ‘ডিলিটেড’ দেখাচ্ছে। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস-এর তরফে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, যথাযথ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও এভাবে নাম বাদ পড়ায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘আফগানিস্তানে’ ভারতীয় ৫০০ টাকার ‘মূল্য’ কত হবে জানেন…? চমকাবেন শুনলেই ‘উত্তর’!
সুশান্ত সরকার জানান, শুধু তাঁর ও তাঁর মায়ের নামই নয়, তাঁর বাবার নামও ভোটার তালিকায় না থাকায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে আগেই। বাবার নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তিনি ৬ নম্বর ফর্ম পূরণও করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত বাবার নাম তালিকায় যুক্ত হয়েছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।এছাড়াও তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বুথে মোট ৭৪ জন ভোটারের নাম ‘ডিলিটেড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এত সংখ্যক নাম একসঙ্গে বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ওই এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও। সুশান্ত সরকারের কথায়, আমরা বহু বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছি, নিয়মিত ভোট দিয়ে আসছি। হঠাৎ করে ভোটার তালিকায় নাম মুছে যাওয়ার এই ব্যাপারটা তিনি চক্রান্ত হিসেবেই দেখছেন। এদিকে প্রবীণ বাবা-মায়ের মানসিক অবস্থাও নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নৈহাটি পৌরসভার এই জনপ্রতিনিধি।
দীর্ঘদিন ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও আচমকা নাম বাদ পড়ায় তাঁরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সব মিলিয়ে জনপ্রতিনিধি থেকে জেলার সাধারণ ভোটার সবার মধ্যেই এখন বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটার তালিকা প্রকাশের পর একাধিক জায়গায় নাম বাদ পড়ার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে চরম আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।
রুদ্র নারায়ন রায়






