জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানান, রবিবার দুপুর আনুমানিক ১২টা নাগাদ তিস্তার চরে ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে সংগ্রহ করা একটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল পোড়াতে গেলে সেটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের। ঘটনার খবর পেয়ে মালবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ।
এদিকে, বাবাকে খুন করার হুমকি দিয়ে গত কয়েকমাস ধরে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর উপর শারীরিক অত্যাচার, শেষমেশ ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করলেন। ওই ছাত্রীকে জোর পূর্বক গোয়ালঘরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করার পর লজ্জায় আত্মহত্যা করলেন ওই ছাত্রী। পরিবারের দাবি, একবার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টার পর সুস্থ হয়ে ফের দ্বিতীয়বার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে জলঙ্গি থানার পরাশপুর গ্রামে। নন্দিনী মণ্ডল নামে ওই ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে স্কুলে যাওয়ার সময় উত্যক্ত করত এলাকার এক যুবক।
advertisement
এলাকার এক যুবক জোর পূর্বক গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর বাড়ির পাশে গোয়ালঘরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করছিল। সেই সময় ওই ছাত্রীর বাবা-মা কেউ বাড়িতে ছিলেন না। হঠাৎ করে ওই ছাত্রীর বাবা সকাল ১১টাই বাড়ি ফিরলে মেয়ের চিৎকার চেঁচামেচি শুনতে পান। গোয়াল ঘর থেকে মেয়েকে উদ্ধার করার সময় অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়। ওই দিনই সন্ধ্যেবেলায় ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই ছাত্রী। তাকে তড়িঘড়ি স্থানীয় সারাংপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সুস্থ হয়ে তিনদিন পর বাড়িতে ফিরে ফের সকলের অনুপস্থিতিতে গলায় দড়ি দিয়ে নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করেন ওই ছাত্রী।
