রানিবাঁধে মাইক হাতে জ্যোৎস্না মান্ডি স্পষ্ট বার্তা দেন, দলের নেতৃত্ব যাকে প্রার্থী করেছেন, সেই সিদ্ধান্ত সকলকেই মেনে নিতে হবে। তিনি বলেন, “দলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তনুশ্রী আমাকে ডাকলেই পাশে পাবেন।” তবে এর পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত কারণও তুলে ধরেন। বাবার অসুস্থতার জন্য কয়েকদিন এলাকার বাইরে থাকতে হবে বলে জানান তিনি এবং পরিষ্কার করে দেন, কেউ যেন এটিকে ভুলভাবে না নেন বা ভাবেন যে তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন।
advertisement
তবে এই বার্তার মাঝেও আক্ষেপের সুর ধরা পড়ে জ্যোৎস্নার কথায়। তিনি অভিযোগ করেন, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর তার বাড়ির সামনে দলের কিছু কর্মী আতসবাজি ফাটিয়ে এবং বিভিন্নভাবে করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, যা তার মতে দলীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ইঙ্গিত দেন যে দলের অন্দরে কিছু অস্বস্তি এখনও রয়ে গেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদা জানান, মন্ত্রীর শুভেচ্ছা জানানো নিছক সৌজন্যের অংশ। প্রচারে জ্যোৎস্না মান্ডিকে ডাকা হবে কি না, তা নির্ভর করবে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ ও স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার উপর।
উল্লেখযোগ্যভাবে, আগে থেকেই জ্যোৎস্না মান্ডি ও তার অনুগামীদের ভূমিকা নিয়ে দলের মধ্যে অসন্তোষ ছিল এবং খাতড়ায় সেই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। গত লোকসভা নির্বাচনে এলাকায় দলের পিছিয়ে পড়াও টিকিট বদলের একটি কারণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, ঐক্যের এই বার্তা ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।





