এই ডিজিটাল যুগের ব্যস্ততায় বইমেলা প্রাসঙ্গিক। কারণ বইয়ের বিকল্প হয় না। তাই প্রতিবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে জেলায় জেলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বইমেলার আসর বসে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিগত বছরগুলিতে বইমেলায় উত্তরোত্তর বই বিক্রি বেড়েছে।
advertisement
প্রসঙ্গত, শেষবার জেলা বইমেলায় বইয়ের বিক্রি ভাল হয়েছিল। বইমেলায় বিভিন্ন স্টল থেকে প্রায় ২২ লক্ষ টাকারও বেশি বই বিক্রি হয়েছিল। এইবারের বইমেলাকে সফল করার উদ্দেশে বইমেলার উদ্বোধনের আগে তমলুক শহরজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বইমেলার মঞ্চে প্রতিদিন নানান ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা বইমেলার আয়োজন নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক ইউনিস ঋষিণ ইসলাম জানিয়েছেন, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বইমেলার একটি ইতিহাস রয়েছে। প্রতিবছর এই বইমেলায় চাহিদা বাড়ছে। শেষ বছর ৭২টি স্টল ছিল। এবার স্টল সংখ্যা বেড়ে ৯২টি হয়েছে। অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগেও বইয়ের কোন বিকল্প নেই। কারণ বই হল মেধা বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের মনে চিত্রকল্পের জন্ম হয়। যা থেকে মানুষের ভাবনা আরও দৃঢ় হয়। তাই মোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স গেজেটে পড়াশোনা বাদ দিয়ে বই পড়া উচিত।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বইমেলায় প্রায় ৯২টির বেশি বইয়ের স্টল রয়েছে। কলকাতা জেলা মিলিয়ে বড় প্রকাশনার স্টল রয়েছে মেলায়। এর পাশাপাশি লিটিল ম্যাগাজিন কর্নার রাখা হয়েছে। জেলা বইমেলায় সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।
বর্তমান ইলেকট্রনিক্স গেজেটের যুগে বই যে মানুষের প্রকৃত বন্ধু তা তুলে ধরতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিগত বছরগুলিতে বইমেলায় উত্তরোত্তর বই বিক্রি বেড়েছে। সব মিলিয়ে পড়ন্ত শীতে নতুন বইয়ের ঘ্রাণে তমলুকের আকাশ বাতাস মুখরিত হচ্ছে।





