সম্প্রতি জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, ঠিকাদার সংস্থা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যৌথভাবে নবনির্মিত এই ওভারব্রিজটি পরিদর্শন করেন। সেতুর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি যাতায়াতের ক্ষেত্রে কী কী সুবিধা বা অসুবিধা হতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে আসা ছোটখাটো সমস্যাগুলি। সেতুটি পুরোদমে চালু হওয়ার পরেই ধাপে ধাপে সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
advertisement
রেল গেট পড়ার কারণে সিউড়ির এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় প্রায়ই দীর্ঘক্ষণ মালগাড়ি বা প্যাসেঞ্জার ট্রেনের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হতো সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই সমস্যা ছিল প্রকট। বর্তমানে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় ছাত্র ছাত্রীদের যাতে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে কোন অসুবিধা না হয়, সেই কারণেই স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধে রেল এই মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শহরের বাসিন্দা প্রিয়নীল পাল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই ব্রিজের জন্য আমাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। গেট পড়ে গেলে ছাত্র ছাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো। রেল যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে উদ্বোধনের আগেই ব্রিজটি খুলে দিয়েছে, তার জন্য সিউড়িবাসী হিসেবে আমরা কৃতজ্ঞ। দ্রুত আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক বিপ্লব বাউড়ি জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি হাটজনবাজার রেল ওভারব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে সেতুটি এখনই ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হয়েছে।





