সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে মীন ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীরা চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। মীন ধরার জন্য দীর্ঘ সময় নদীর নোনা জলে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, ফলে মৎস্যজীবীদের বিশেষ করে মহিলাদের স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে।
advertisement
এছাড়াও জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় মীন ধরতে গিয়ে অনেক সময় বাঘের আক্রমণের শিকার হতে হয় মৎস্যজীবীদের। তাছাড়া মীন ধরতে গিয়ে অনেকসময় অন্য মাছের চারা নষ্ট হয়। সব কিছুর ফলে মীন ধরা বন্ধ করে তাদের নিজেদের জলাশয়ে মীন ফেলে চিংড়ি উৎপাদন করার পরামর্শ দিচ্ছে মৎস্য দফতর। সেই সঙ্গে যাতে তারা এই কাজ দ্রুত করতে পারে তার জন্য হাঁড়ি ও সাইকেল দেওয়া হয়েছে মৎস্যজীবীদের।
আরও পড়ুনঃ অফ সিজিনে আমের ভেলকি! এই বছর সস্তা হবে বাংলার হিমসাগর, ল্যাংড়া, জলের দরে ফলের রাজা
নদী থেকে মীন ধরতে গেলে ঘন ঘন নিম্নচাপ এবং সমুদ্র ভাঙনের কারণে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে গিয়ে খালি হাতে বা লোকসান নিয়ে ফিরতেন। চিংড়ির মীন ধরতে গিয়ে অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনা নষ্ট করতেন। এর হাত থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের জলাশয়ে মীন ফেলে চিংড়ি চাষ করলে সারা বছর লাভ হবে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নদীতে যাওয়া এড়ানো যাবে। উৎপাদিত মাছ দ্রুত বাজারজাত করা যাবে। যার ফলে খুশি সকলেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সুন্দরবন লাগোয়া উপকূলীয় এলাকার মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে এই উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য দফতর। এইভাবেই ধীরে ধীরে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মীন ধরা বন্ধ হবে একসময়।





