বাঘ গুণতে জঙ্গলে ট্রাপ ক্যামেরা বসানো হয়। কিন্তু কুমির গুণতে ছোট ছোট নৌকায় চেপে বনকর্মীরা খাঁড়িতে ঢুকে কুমিরের মাথা গুনে হিসাব করে। খালি চোখে দেখে এই গণনা চলে। ফলে সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা খুব কঠিন।
advertisement
নদীর পাড়ে রোদ পোহাচ্ছে কুমির
গত বছর ২০২৪-২০২৫ সালে কুমির গণনায় সুন্দরবনে আনুমানিক ২৪২টি কুমির পাওয়া গিয়েছে বলে সুন্দরবন বাঘ্র সংরক্ষণকেন্দ্র রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। এর আগে সংখ্যাটি ছিল ২০৪ থেকে ২৩৪-এর মধ্যে। সুন্দরবন ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের এক আধিকারিক জানান, সুন্দরবনে বাঘের মতো কুমিরের সঠিক সংখ্যা বলা কঠিন।
ফলে কঠিন এই কাজ সূচারুভাবে করতে হবে। দু’মাস অন্তর গণনা চললে সঠিক সংখ্যা উঠে আসতে পারে। গতবার গণনায় সব চেয়ে বেশি কুমির দেখা গিয়েছে রায়দিঘি রেঞ্জে। সজনেখালি এবং ন্যাশনাল পার্কের দিকেও কুমিরের বাস কম নয়। এবার অবশ্য তাদের সেখানে কম দেখা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফলে ঠিক কী কারণ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কুমিরের গণনা সঠিকভাবে করে সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করাই এখন লক্ষ্য। সাধারণত চোখে যতগুলি কুমির দেখা যায় সেগুলি গণনা করা হয়। খাঁড়ির পাড়ে রোদ পোহাতে থাকা কুমিরদের মাথা গুনে থাকেন বনকর্মীরা। এ ছাড়া কুমিরের ছাপ দেখে কুমিরের সংখ্যা গোনা হয়। গণনায় যে সংখ্যা উঠে আসে সেটা ছাড়াও আরও কুমির থাকতে পারে। তাই বন দফতর এখানে আনুমানিক সংখ্যা প্রকাশ করে থাকে। ফলে এবার সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করতে দু’মাস অন্তর গণনা চালাবে বন দফতর।






