বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ২৩ জানুয়ারির মরশুমে নেতাজির জন্মদিনের আগেই মূর্তি স্থাপন সম্পন্ন হওয়ায় এই আনন্দ আরও কয়েকগুণ বেড়েছে। স্থানীয়দের মতে, নেতাজি কেবল একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী নন, তিনি আত্মত্যাগ, সাহস ও দেশপ্রেমের এক জীবন্ত প্রতীক। তাঁর আবক্ষ মূর্তি আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা ও সাহসিকতার পথে অনুপ্রাণিত করবে বলেই তাঁদের বিশ্বাস। এলাকার বাসিন্দারা জানান, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার ভূমিকা গোটা বিশ্ব জানে এবং সেই ইতিহাসের গর্বিত উত্তরাধিকার বহন করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাই তাঁর মূর্তি তাঁদের পাড়ায় স্থাপিত হওয়া নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।
advertisement
আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার সেই গোপন আস্তানা, যেখানে রাত কাটিয়েছিলেন নেতাজি! জন্মজয়ন্তীতে প্রকাশ্যে অজানা ইতিহাস
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাঁরা আরও বলেন, ‘আমার পাড়া আমার সমাধান’ প্রকল্পের মাধ্যমে এমন একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। মূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে গয়েশপুর পৌর এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে এখন আনন্দ ও গর্বের আবহ। স্থানীয়দের আশা, এই উদ্যোগ শুধু এলাকাকে নয়, আগামী প্রজন্মের মনন গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।





