জল অপচয় রুখতে, গাছে যাতে জলের চাপ কম পড়ে এমনকি শুষ্ক আবহওয়ায় জল সেচের সমতা বজায় রাখতে এই সেচ পদ্ধতি বেশ কার্যকরী। চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এই পদ্ধতিতে তুলনামূলকভাবে কম জল ব্যবহার করেও বড় এলাকা জুড়ে সেচ করা সম্ভব। পাইপ লাইনের মাধ্যমে স্প্রিংকলার থেকে বৃষ্টির মতো জল ছিটিয়ে পড়ে। ফলে মাটিতে সমানভাবে আর্দ্রতা বজায় থাকে। এতে চা গাছের শিকড় পর্যাপ্ত জল পায় এবং গাছ জলচাপের মুখে পড়ে না।
advertisement
ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলে ছোট চা গাছ থেকে শুরু করে পরিণত চা গাছ-সব ক্ষেত্রেই স্প্রিংকলার সেচ কার্যকর বলে জানাচ্ছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। শীতকালে ছোট গাছের জন্য হালকা ও নিয়মিত জলের প্রয়োজন হয়, আবার বড় বাগানজুড়ে থাকা পরিণত গাছের ক্ষেত্রেও মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা জরুরি। স্প্রিংকলার সেচে এই দুই চাহিদাই একসঙ্গে পূরণ করা যায়।
চা বাগান ম্যানেজারদের দাবি, নিয়ন্ত্রিতভাবে জল দেওয়ার ফলে গাছের কোনও ক্ষতি হয় না। বরং পাতার সতেজতা বজায় থাকে, ভাল ফ্লাশ আসে এবং চা পাতার গুণমান ও স্বাদ উন্নত হয়। শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকায় রোগের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মাটির ধরন ও আবহাওয়া বুঝে নির্দিষ্ট সময়ে স্প্রিংকলার সেচ প্রয়োগ করা ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলের চা বাগানে অত্যন্ত উপযোগী। তবে বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় এই পদ্ধতি ব্যবহার না করাই ভাল। সব মিলিয়ে কম জল খরচে সমান সেচ, শ্রম ও সময় সাশ্রয় এবং উৎপাদিত চা পাতার মানোন্নয়নের কারণে শীতকালে স্প্রিংকলার সেচ ডুয়ার্স–তরাইয়ের চা বাগানের জন্য এক কার্যকর ভরসা হয়ে উঠছে।





