আগে আমের মরশুম এলেই নদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাঁশের কঞ্চি ও বেত দিয়ে তৈরি আম রাখার ঝুড়ির চাহিদা ছিল চোখে পড়ার মতো। সারা বছর ধরেই তৈরি হতো কুলো, গাছ ঘেরা, ঝুড়ি-সহ নানা সামগ্রী। তখন অর্ডার সামলাতে হিমশিম খেতেন কারিগররা। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। বাজার জুড়ে ছেয়ে গিয়েছে হালকা ও সস্তা প্লাস্টিকের ক্যারেট ও পাত্র।
advertisement
কারিগরদের মতে, প্লাস্টিকের এসব সামগ্রী পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হলেও সে বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না। ফলে ধীরে ধীরে মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এই শিল্প। বর্তমানে হাতে গোনা কিছু পরিবারই এই পেশায় টিকে আছেন। অর্ডার আসে খুবই সামান্য। এখন যে ঝুড়িগুলি তৈরি হচ্ছে, তার পাইকারি দাম মাত্র ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই স্বল্প আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে শিল্পীদের জন্য। ফলে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। কারিগরদের আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অচিরেই হারিয়ে যাবে গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প।
তাঁরা সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা, বাজারজাতকরণের সুযোগ ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের প্রচারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় এই শিল্প।





