স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর পাশে শৌচাগার রয়েছে। সেই নোংরা জল নদীর জলের সঙ্গে মিশে দূষণ ছড়াচ্ছে। এছাড়াও বহু ব্যবসায়ী প্রতিদিন নদীর জলে আবর্জনা ফেলচ্ছে। যে কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। ভাটার সময় দুর্গন্ধ আরও বেড়ে যায়। কারণ ওই সময় নদীর জল থেকে পচা আবর্জনা গন্ধ বেশি আসে। জোয়ারের সময় দুর্গন্ধ কিছুটা কমে।
advertisement
জানা যাচ্ছে, এই নদীর জলে কেবলমাত্র বাজারের নোংরা আবর্জনা ফেলা হয় তাই নয়, এলাকার মাংসের দোকানগুলির ময়লা তথা মুরগি ও খাসির নাড়িভুঁড়ি, রক্ত প্রতিদিন নদীতে সরাসরি ফেলা হয়। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও কোনও কড়াকড়ি পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি, যার ফলে স্থানীয় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তবে কালনাগিনী নদী দূষণের এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
