খাদ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে পরিদর্শন প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত, কার্যকর ও ব্যবহার বান্ধব। এতদিন রেশন দোকান ও গুদাম পরিদর্শনের রিপোর্ট ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জমা দিতে হত। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের নির্দেশে সেই প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও সহজ করে এবার সরাসরি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে রিপোর্টিং চালু করা হচ্ছে। এতে বাস্তব পরিস্থিতিতে আধিকারিকদের কাজ যেমন সহজ হবে, তেমনই দফতরের তরফে তাৎক্ষণিক নজরদারিও সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ জানিয়েছেন, রাজ্যের পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করাই তাঁর কাছে অগ্রাধিকার। সাধারণ মানুষ যেন কোনওভাবেই রেশনের ক্ষেত্রে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হচ্ছে। অ্যাপ-ভিত্তিক এই নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে গুদামজাত খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ সহ রেশন বন্টনের প্রতিটি ধাপে নজর রাখা যাবে। আরও জানা গিয়েছে, নতুন ব্যবস্থার পাশাপাশি সারপ্রাইজ ভিজিটেও জোর দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা রেশনিং অফিসার, জয়েন্ট ডিরেক্টর অব রেশনিং এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের নিয়ে দুই থেকে তিন জন পরিদর্শক সমন্বয়ে বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই দলগুলির নেতৃত্ব দেবেন সংশ্লিষ্ট মহকুমার সাব-ডিভিশনাল কন্ট্রোলার বা রেশনিং অফিসাররা।
নিয়মিত পরিদর্শনের পাশাপাশি এই বিশেষ দলগুলি আচমকা পরিদর্শন চালাবে। দফতরের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, গত কয়েক মাসে নিয়মিত পরিদর্শনের হার সন্তোষজনক ছিল না। সেই কারণেই খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ প্রত্যেক মাসে অন্তত দুটি বিশেষ দলকে আকস্মিক পরিদর্শনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। খাদ্য দফতরের দাবি, এই পদক্ষেপের ফলে রেশন গুদাম ও ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে এবং অনিয়মের সুযোগ কমবে। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর এই নজরদারি ব্যবস্থাকে রাজ্যের রেশন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবেই দেখছেন প্রশাসনিক মহল।






