ঠাকুরপুকুরে একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।নাবালিকার পরিবার গত ২২ জানুয়ারি বারুইপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। বারুইপুর থানার এসআই সুকুমার রুইদাসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। সূত্র ধরে ঠাকুরপুকুর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে অবশেষে নাবালিকাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
advertisement
চালের সঙ্গে কতটা সুজি দিলে জুঁইফুলের মতো ঝরঝরে, নরম ইডলি হবে, জানেন? ঠিক মাপটা লিখে রাখুন
৭০ বছরেও হাড়ভাঙা পরিশ্রম! ছেলের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন হাওড়ার এই মা, চালাচ্ছেন ৩ ফুটের দোকান!
গ্রেফতারের সময় অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি নকল সিবিআই পরিচয়পত্র এবং তার আসল ভোটার কার্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, কুনাল নিজেকে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাড়ি নিতেন এবং সেখানকার আশপাশের নাবালিকাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। সেই ভুয়ো পরিচয়ের জোরে বিশ্বাস অর্জন করাই ছিল তার প্রধান কৌশল। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে বারুইপুর মকুমার আদালতে পেশ করে বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নাবালিকা অপহরণ সহ ভুয়ো পরিচয় পত্র রাখা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি মল্লিকপুর এলাকায় ভাড়া নেন। সেখান থেকেই ওই নাবালিকার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। নানা প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, একই কৌশলে আরও কেউ তার শিকার হয়েছে কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। পুরো ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বারুইপুর এসডিপিও অভিষেক রঞ্জন বলেন, ২২ শে জানুয়ারি এক নাবালিকা অপহরণের ঘটনার তদন্তে নেমে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। অভিযুক্ত নিজেকে ভুয়ো সিবিআই অফিসার পরিচয় দিয়ে নাবালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে এবং পরবর্তী সময় অপহরণ। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে অভিযুক্তের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য বারুইপুর মহকুমার আদালতে বারুইপুর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে।
