১৩৬৪ বঙ্গাব্দে নামখানার শিবনগর আবাদে শুরু হয় এই পুজো। এই মন্দিরে এখনও ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয় কাঁকড়াভোগ। এলাকার মানুষজনের কাছে এই কাঁকড়াবুড়ি খুবই জাগ্রত দেবী। বর্তমানে এই পুজো উপলক্ষে মেলা বসে সেখানে। এই পুজো দেখতে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও ছুটে আসেন।

আরও পড়ুনঃ ইদের মুখে সামশেরগঞ্জে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা! বাইকে হেলমেটের বালাই নেই, লরির চাকায় পিষল ২ যুবক, আহত আরও ২

advertisement

বর্তমানে নামখানা নয়, এই কাঁকড়াবুড়ির পরিচিতি ছড়িয়েছে জেলার অন্যান্য জায়গাতেও। এই পুজো একটি আধ্যাত্মিক ব্যাপার বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তিনি জানিয়েছেন, এই পুজোর সঙ্গে বেশ কিছু রীতিনীতি জড়িয়ে রয়েছে। যা অনেককে কাছে টানে।

View More

স্থানীয়রা কাঁকড়া নিয়ে আসেন এখানে। এ নিয়ে মেলা কমিটির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এটি আসলে শীতলা মায়ের পুজো। তবে কাঁকড়া আনায় এটি ক্রমে কাঁকড়াবুড়ির পুজো হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এখানে আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল শঙ্খচিল আকাশে ওড়া।

advertisement

আরও পড়ুনঃ সম্পর্ক তিক্ত হলেও ভোটের ময়দানে একে অন্যের পরিপূরক ‘বাঁশ’ ও ‘রাজনীতি’! কেন জানেন?

পুজো উপলক্ষে বিশাল মেলার আয়োজন করা হয়। সেই মেলায় সমস্ত রকমের দোকান বসে। প্রয়োজনের সবকিছুই মেলে এখানে। সমস্ত ধরণের জিনিসপত্র পাওয়া যায় মেলায়। মেলাকে ঘিরে এবছর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

মেলা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। যা মেলাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে সকলের কাছে। এই মেলা এখন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ভাল সাড়া ফেলেছে।