তবে বিগত বছরগুলিতে সমস্যা সমাধানের জন্য পানীয় জলের গাড়ি পাঠানো হত। এবছর এখনও সেই জলের গাড়ির দেখা নেই। অপরদিকে একের পর এক নলকূপ খারাপ হতে শুরু করেছে। ট্যাপ গুলিও অকেজো। ফলে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। যদিও স্থানীয়রা জল প্রকল্প নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন।
advertisement
তাঁরা জানিয়েছেন, এই প্রকল্প শেষ হলে তবেই সমস্যার হাত থেকে বাঁচবেন তাঁরা। চাষের জন্যও জল নেই ফলে সমস্যা থেকেই গিয়েছে। গত বছর তীব্র গরমে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে হেল্পলাইন নম্বর ছিল। ছিল কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। কোথাও জল সরবরাহে বিঘ্ন হওয়ার খবর এলেই ব্লক স্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এবং অপারেটরদের নিয়ে গঠিত এই কিউআরটি সেখানে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নিয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট ব্লকে পর্যাপ্ত পানীয় জল সরবরাহের লক্ষ্যে কোন প্রকল্পের কাজ চলছে, কোন প্রকল্প শেষ হতে কত সময় লাগবে ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল, জনপ্রতিনিধি এবং পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ থাকবে। মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে তাঁরা যাতে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
‘পাম্পিং আওয়ার অর্থাৎ জল তোলার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছিল ১৬ ঘণ্টা ২২ ঘন্টা। তবে এবছর নির্বাচন থাকায় এখনও তেমন কিছুই সাধারণ মানুষজনের চোখে পড়ছে না। ফলে সুন্দরবন জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।





