প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রাচীন ঐতিহ্য মেনে আড়ম্বরে পালিত হয়েছে এ বছরের পুজো। মূলত এই পুজোর প্রায় ৫-৬ টি গ্রামের মানুষ উপস্থিত হয়ে পূজোর আয়োজন করা হয়। এই পুজো উপলক্ষে এলাকার প্রচুর মানুষ ভিড় জমিয়ে ছিল। সকাল থেকে রাত গড়িয়ে শেষ হয় পুজো। এই পুজোতে মূল আকর্ষণ ছিল সেই প্রাচীন রীতি মেনে ভক্তি নিষ্ঠা আর ঐতিহ্যের পরম্পরা নিয়ে আজও গণ্ডি কেটে ধুনো পুড়িয়ে এলাকার মানুষ তাদের নিজেদের মনস্কামনা পূর্ণ করার জন্য এগিয়ে এসেছে।
advertisement
এই পুজোতে অলৌকিক কাহিনী, লোকমতে খুব জাগ্রত এই মন্দির প্রতিবছর এলাকার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মানত করেন ভক্তরা। দক্ষিণ কালিকাপুরে এই পুজো বহু বছর ধরে চলে আসছে এই প্রথা। মানতপূরণ হলে প্রথম এনে ধুনো পোড়ানো হয় যে তাই নয়, নিয়মমাফিক তাকে পুজোর আগের দিন থেকে নিরামিষ ভোজন করতে হবে।
আরও পড়ুন-বিরাট সুখবর! নৈহাটির বড়মার মন্দিরে গিয়ে আর দিতে হবে না লাইন! কারা পাবেন বিশেষ সুবিধা? জানুন
তারপর পুজোর দিন গঙ্গার জলে স্নান করে ভেজা অবস্থাতে প্রথমে গন্ডি কেটে তারপর মাথায় এবং দুই হাতে এভাবেই ধুনো পোড়ানো হয়। আর এই দেখতে ভিড় জমায়ে ভক্তরা। এ বছর ও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রতিবছরের মত এ বছরেও ভিড় উপচে পড়েছে ধুনো পোড়ানো দেখতে। পুজো শেষ হতো কয়েক হাজার মানুষ বাবার এই ভোগ বিতরণী অনুষ্ঠানে জলে গভীর রাত পর্যন্ত।





