advertisement

Kalyani Expressway: ২১ ফ্লাইওভারে নিমেষে ৪০ কিলোমিটার রাস্তা পার! দোলের আগেই খুলছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে! কবে উদ্বোধন? জানুন

Last Updated:
Kalyani Expressway: দোলের আগেই খুলে যাচ্ছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে! ২ মার্চ উদ্বোধন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করবেন। বহু প্রতীক্ষিত এই ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে খুলে গেলে বেশ অনেক সময় বাঁচবে নিত্যযাত্রীদের।
1/6
*কল্যানী, রুদ্র নারায়ণ রায়: দোলের আগেই বাংলার মানুষের জন্য বড় উপহার। ২ মার্চ উদ্বোধন হতে চলেছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের। জানা গিয়েছে, আগামী ২ মার্চ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করবেন বহু প্রতীক্ষিত এই ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের।
*কল্যানী, রুদ্র নারায়ণ রায়: দোলের আগেই বাংলার মানুষের জন্য বড় উপহার। ২ মার্চ উদ্বোধন হতে চলেছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের। জানা গিয়েছে, আগামী ২ মার্চ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করবেন বহু প্রতীক্ষিত এই ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের।
advertisement
2/6
*প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওইদিন দোলযাত্রা ও হোলি মিলন উৎসবের অনুষ্ঠান থেকেই ভার্চুয়াল এই অত্যাধুনিক দ্রুতগতির এক্সপ্রেসওয়ের সূচনা করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আধুনিক, সিগন্যালবিহীন সুপার হাইওয়ে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
*প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওইদিন দোলযাত্রা ও হোলি মিলন উৎসবের অনুষ্ঠান থেকেই ভার্চুয়াল এই অত্যাধুনিক দ্রুতগতির এক্সপ্রেসওয়ের সূচনা করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আধুনিক, সিগন্যালবিহীন সুপার হাইওয়ে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
advertisement
3/6
*বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে জংশন থেকে কাঁচরাপাড়ার কাঁপা মোড় হয়ে বড় জাগুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই রাস্তা মাত্র ৪০ মিনিটে অতিক্রম করা যাবে। আগে যেখানে সময় লাগত প্রায় দু’ঘণ্টা, সেখানে সময় সাশ্রয়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে আসবে বড় স্বস্তি। কল্যাণী এআইএমএস-এ পৌঁছন হবে আরও সহজ। ৪ থেকে ৬ লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, কোথাও ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়াতে হবে না। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে নির্মিত হয়েছে একাধিক ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস।
*বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে জংশন থেকে কাঁচরাপাড়ার কাঁপা মোড় হয়ে বড় জাগুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই রাস্তা মাত্র ৪০ মিনিটে অতিক্রম করা যাবে। আগে যেখানে সময় লাগত প্রায় দু’ঘণ্টা, সেখানে সময় সাশ্রয়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে আসবে বড় স্বস্তি। কল্যাণী এআইএমএস-এ পৌঁছন হবে আরও সহজ। ৪ থেকে ৬ লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, কোথাও ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়াতে হবে না। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে নির্মিত হয়েছে একাধিক ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস।
advertisement
4/6
*মোট ২১টি ফ্লাইওভার, সাতটি আন্ডারপাস, হালকা যানবাহনের জন্য ছ’টি আন্ডারপাস, পথচারীদের জন্য ছ’টি আন্ডারপাস, ৭০টি কালভার্ট, পাঁচটি শৌচালয়, একটি ট্রাক লে-বাই এবং ৫৬টি যাত্রী প্রতীক্ষালয় রয়েছে অত্যাধুনিক এই দ্রুতগতির এক্সপ্রেসওয়ে। রাজ্য সরকারের West Bengal Highway Development Corporation Limited (WBHDCL)-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই প্রকল্প একদিকে নিমতা অঞ্চলে Belgharia Expressway-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে বড় জাগুলিয়ায় National Highway 34-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে।
*মোট ২১টি ফ্লাইওভার, সাতটি আন্ডারপাস, হালকা যানবাহনের জন্য ছ’টি আন্ডারপাস, পথচারীদের জন্য ছ’টি আন্ডারপাস, ৭০টি কালভার্ট, পাঁচটি শৌচালয়, একটি ট্রাক লে-বাই এবং ৫৬টি যাত্রী প্রতীক্ষালয় রয়েছে অত্যাধুনিক এই দ্রুতগতির এক্সপ্রেসওয়ে। রাজ্য সরকারের West Bengal Highway Development Corporation Limited (WBHDCL)-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই প্রকল্প একদিকে নিমতা অঞ্চলে Belgharia Expressway-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে বড় জাগুলিয়ায় National Highway 34-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে।
advertisement
5/6
*ইতিমধ্যেই বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগকারী সেতুর কাজও শেষ হয়েছে। ফলে দক্ষিণেশ্বর-বিমানবন্দর সংযোগকারী বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সরাসরি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে ধরে জেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছনো যাবে নির্বিঘ্নে। এই এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বারাসত-সহ আশপাশের এলাকার যানজট অনেকটাই এড়িয়ে দ্রুত উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রা সম্ভব বলেও মনে করছেন বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক এর চালকরা।
*ইতিমধ্যেই বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগকারী সেতুর কাজও শেষ হয়েছে। ফলে দক্ষিণেশ্বর-বিমানবন্দর সংযোগকারী বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সরাসরি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে ধরে জেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছনো যাবে নির্বিঘ্নে। এই এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বারাসত-সহ আশপাশের এলাকার যানজট অনেকটাই এড়িয়ে দ্রুত উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রা সম্ভব বলেও মনে করছেন বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা।
advertisement
6/6
*পাশাপাশি, নদিয়া, বর্ধমান ও হুগলি জেলার বাসিন্দাদের কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোও আরও সহজ ও দ্রুত হবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, দ্রুত গতির এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে নতুন শিল্প বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি সহ জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
*পাশাপাশি নদিয়া, বর্ধমান ও হুগলি জেলার বাসিন্দাদের কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোও আরও সহজ ও দ্রুত হবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, দ্রুত গতির এই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে নতুন শিল্প বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি সহ জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে
advertisement
advertisement
advertisement