হাড়োয়ার ঝুঝুরগাছা এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মৃত বুথ সভাপতি মশিউর কাজীর পরিবারের অভিযোগ গোষ্ঠীকোন্দলে খুন হয়েছে। দেগঙ্গা ২- এর ব্লক সভাপতি লোকজন মশিউরকে খুন করেছে বলে দাবি মৃতের পরিবারের।
advertisement
পাল্টা দেগঙ্গা ব্লক টু সভাপতি ও চাপাতলা অঞ্চল সভাপতি বলেন বেশ কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে হাড়োয়ার ঝুঝুরগাছা এলাকায় প্রার্থী পছন্দ নয় বলে বিক্ষোভ বোমাবাজির ঘটনা ঘটছিল৷ সেই এলাকায় যায় গাংনীয়ার বুথ সভাপতি৷ তাঁর দাবি, সেখানেই বোমা বাঁধতে গিয়েই বোমা বিস্ফোরণ হয়ে বুথ সভাপতির হাতের কব্জি উড়ে যায় ও মুখ ঝলসে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, এর মধ্যে গোষ্ঠীকন্দলের কোনও ব্যাপার নয় নেই বলে তাঁর দাবি।
মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রাম রাস্তার পাশে সাত সকালে এলাকাবাসীরা দেখতে পান রাস্তার ধারে পড়ে আছে দেহ। শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের কোপ। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যুবকের দেহ উদ্ধার করেন তাঁরা। ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় হয়ে উঠল গোটা এলাকা।
মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রাম রাস্তার পাশে সাত সকালে এলাকাবাসীরা দেখতে পান রাস্তার ধারে পড়ে আছে দেহ। শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের কোপ। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যুবকের দেহ উদ্ধার করেন তাঁরা। ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মুখটার এত বীভৎস অবস্থা করে দিয়েছে বলার কিছু নেই। দেখে প্রথমে বুঝতে পারিনি। অনেকক্ষণ দেখার পর চিনতে পেরেছি। ও তৃণমূল পার্টি করতেন। উনি কালকে রাতে বলেছিলেন কাজে যাচ্ছি। পরিবারের লোকজন বলছে, তারপর থেকে আর ফেরেননি বাড়িতে। এরপর সকালে খবর আসে বডি পাওয়া গিয়েছে। পরে বাড়ির লোক এসেছে শনাক্ত করেছে। এত কুপিয়েছে যে চেনা যায়নি।”
